eibela24.com
শুক্রবার, ২১, সেপ্টেম্বর, ২০১৮
 

 
পেঁয়াজের ঝাঁজ আবার বেড়েছে
আপডেট: ১২:৪৯ pm ২১-১১-২০১৭
 
 


রাজধানীর পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের ঝাঁজ আবার বেড়েছে, যার আঁচ পড়তে শুরু করেছে খুচরা দোকানগুলোতে। কারওয়ান বাজারের পাইকারি দোকানে সব ধরনের পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি প্রায় ১০-১৫ টাকা বেড়েছে। একই চিত্র শ্যামবাজারের আড়তগুলোতেও।

পাইকারি দোকানে দাম বেড়ে যাওয়ার প্রভাব পড়েছে কারওয়ান বাজারের খুচরা দোকানে। সেখানে প্রতি কেজি ভালো মানের দেশি পেঁয়াজের দাম ৮৫ টাকা হাঁকছেন বিক্রেতারা। এক সপ্তাহ আগে যা ৭০-৭৫ টাকা ছিল। খুচরা দোকানে প্রতি কেজি ভারতীয় পেঁয়াজের দাম চাওয়া হচ্ছে ৬৫-৭০ টাকা, যা ৫৫ টাকায় নেমেছিল। অবশ্য মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব ঢাকার সব বাজারে এখনো পড়েনি।

দেশের মানুষের অতি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মধ্যে পেঁয়াজ একটি। বাংলাদেশে বছরে প্রায় ২৪ লাখ টন পেঁয়াজের চাহিদা আছে। এর মধ্যে প্রায় ৩০ শতাংশ আমদানি করা হয়, যার অধিকাংশই আসে ভারত থেকে। সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) হিসাবে গত বছর এ সময় প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজের দাম ছিল ৪০ টাকা এবং ভারতীয় পেঁয়াজ ছিল ২৫ টাকা।

পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, নতুন করে মূল্যবৃদ্ধির কারণ ভারতের বাজার। সেখানে গত এক সপ্তাহে দাম বেড়ে গেছে। অবশ্য আগামী ১০ দিনের মধ্যে দাম কমতে শুরু করবে বলেও মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।

কারওয়ান বাজারের আড়তে ভারতীয় বড় পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৫৫-৫৬ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, যা ৪৫ টাকায় নেমেছিল।

ভারতের ইংরেজি দৈনিক টাইমস অব ইন্ডিয়ার গত শনিবারের এক খবরে বলা হয়, মহারাষ্ট্রের নাসিক জেলার লাসালগাঁওয়ে ৫ দিনে পেঁয়াজের দাম ২৫ শতাংশ বেড়ে যায়। শুক্রবার সেখানে প্রতি কুইন্টাল বা ১০০ কেজির গড় দাম ওঠে ৩ হাজার ২০০ রুপি। ব্যবসায়ীদের বরাত দিয়ে পত্রিকাটি বলেছে, পেঁয়াজের সরবরাহ কম বলে দাম বেড়েছে। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে নতুন পেঁয়াজ পুরোদমে উঠতে শুরু করবে। এতে দাম কমে যাবে। উল্লেখ্য, লাসালগাঁও ভারতের সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার। বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা এ বাজার থেকেই মূলত পেঁয়াজ আমদানি করেন।

দেশে সাধারণত নভেম্বরের শেষ দিকে মুড়িকাটা পেঁয়াজ ওঠা শুরু হয়। এ বছর বৃষ্টিতে আবাদ ক্ষতিগ্রস্ত ও বাজারে সরবরাহের সময় পিছিয়েছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।

নি এম/