eibela24.com
সোমবার, ১৯, নভেম্বর, ২০১৮
 

 
নাসিরনগরে হামলা: একটি মামলার অভিযোগপত্র দাখিল
আপডেট: ০৫:৫০ pm ১০-১২-২০১৭
 
 


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলা সদরে মন্দির ও ঘর-বাড়িতে হামলা, ভাংচুর এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দায়ের হওয়ার আট মামলার মধ্যে একটি মামলার অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জেলা আদালত পুলিশের পরিদর্শকের (ইন্সপেক্টর) কাছে জমা দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।

রবিবার দুপুরে ২২৮ জনকে অভিযুক্ত করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও নাসিরনগর থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শওকত হোসেন আদালত পুলিশের পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) মাহবুবুর রহমানের কাছে অভিযোগ পত্রটি জমা দেন। অভিযুক্তদের মধ্যে নাসিরনগর উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের বহিস্কৃত চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা দেওয়ান আতিকুর আঁখি, সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা আবুল হাসেম, হরিপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি (বহিষ্কারের সুপারিশকৃত) ফারুক মিয়া, চাপরতলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি (বহিষ্কারের সুপারিশকৃত) সুরুজ আলী, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হান্নান, হরিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. জামাল, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিরুল হোসেন চকদার উল্লেখ্যযোগ্য।

আদালত পুলিশের পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) মাহবুবুর রহমান জানান, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গৌর মন্দির ভাঙচুর মামলার অভিযোগপত্রটি আমার কাছে জমা দিয়েছেন। কোনো ত্রুটি-বিচ্যুতি আছে কিনা সেটি মূল নথির সাথে যাচাই-বাছাই করে সোমবার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দাখিল করা হবে। নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু জাফর অভিযোগপত্রটি দাখিলের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

নাসিরনগর থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ৩০ অক্টোবর নাসিরনগর উপজেলা সদরের গৌর মন্দিরে হামলা ভাঙচুর লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক নির্মল চৌধুরী বাদী হয়ে দুই থেকে আড়াই হাজার অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি মামলা দায়ের করা হয়।

প্রসঙ্গত, হরিণবেড় ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামের হিন্দু সম্প্রদায়ের রসরাজ দাস নামক এক যুবক নিজস্ব ফেসবুক আইডি থেকে পবিত্র কাবা শরীফের উপর শিব মূর্তি স্থাপন করে ছবি পোস্ট দেয়। এই অভিযোগ তুলে গত বছরের ৩০ অক্টোবর নাসিরনগর উপজেলা সদরে মন্দির ও বাড়ি ঘরে হামলা হয়। পরে আরো কয়েক দফা একাধিক বাড়িতে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। এ সব ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থরা আটটি মামলা করে নাসিরনগর থানায়। এ সব ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের দায়ের করা মামলায় প্রায় ৩০০০ হাজার লোককে আসামি করা হয়।

এসকে