eibela24.com
শনিবার, ২২, সেপ্টেম্বর, ২০১৮
 

 
হার্ভার্ডে বাংলাদেশের তৈরী পোশাক শিল্পের প্রশংসা
আপডেট: ০৯:৩৭ am ১৭-১২-২০১৭
 
 


যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সেমিনারে বাংলাদেশের তৈরী পোশাক শিল্পের অগ্রগতির প্রশংসা করেছেন বক্তারা। এসময় তারা বাংলাদেশের পোশাক খাতকে শক্তিশালী এবং শ্রমিক অধিকার সংহত করতে ক্রেতা প্রতিষ্ঠানদের তৈরি পোশাকের দাম বাড়ানোর এবং আন্তর্জাতিক বাজারে অগ্রাধিকার-সুবিধা প্রাপ্তির বিকল্প নেই বলে উল্লেখ করেন।

যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনে বিশ্বখ্যাত হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণামূলক সংস্থা ‘ইন্টারন্যাশনাল সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট ইন্সটিটিউট’ (আইএসডিআই) এর আয়োজনে শুক্রবার বাংলাদেশের পোষাক শিল্প নিয়ে এক আন্তর্জাতিক সেমিনারে এ অভিমত পোষণ করা হয়।  

বিজয় দিবসের আমেজে অনুষ্ঠিত এ সেমিনারে শ্বিব্যাপী চলমান পরিস্থিতির আলোকে গার্মেন্টস সেক্টরের সামগ্রিক কল্যাণে ক্রেতা-সংস্থাগুলোর দায়িত্ব অপরিসীম বলেও মন্তব্য করা হয়।

‘বাংলাদেশের টেকসই পোশাক শিল্পের স্বচ্ছতায় মাল্টি স্টেকহোল্ডার সমন্বয় ও উদ্যোগ’ (sustainable apparel sourcing-multi-stakeholder collaboration beyond compliance and transparency) শীর্ষক দিনব্যাপী এ সেমিনারের মুখ্য বক্তা প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের জন্য বিদেশি ক্রেতাদের কাছ থেকে উপযুক্ত দাম পাওয়া যাচ্ছে না। তদুপরি বাংলাদেশের পোষাক শিল্পে কমপ্লায়েন্সের জন্য পর্যাপ্ত আন্তর্জাতিক ঋণ এবং সহায়তাও পাওয়া যায়নি। কমপ্লায়েন্স এবং ট্রেড ইউনিয়ন করতে চাপ দেওয়া হলেও প্রতিযোগী দেশসমূহকে অনুরূপ চাপ দেওয়া হচ্ছে না। ’

মশিউর রহমান আরও বলেন, ‘এতদসত্বেও বাংলাদেশ সরকার গার্মেন্টস শিল্পের উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে এবং নিচ্ছে। কারণ, শেখ হাসিনার সরকার সব সময়ই শ্রমিক শ্রেণির কল্যাণে বদ্ধপরিকর। একইসাথে গার্মেন্টস সেক্টরের সামগ্রিক উন্নয়নেও অঙ্গিকারাবদ্ধ। ’

ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের ডেপুটি চীফ অফ মিশন জোয়েল রেইফম্যান বলেন, ‘বাংলাদেশের বিভিন্ন পোশাক তৈরী প্রতিষ্ঠানে গিয়ে দেখেছি সেগুলো আন্তর্জাতিক মানে উন্নিত হচ্ছে এবং বিশ্ব বাজারে প্রতিযোগিতার জন্য নিজেদের প্রস্তুত করছে। এটি আমাকে আশান্বিত করেছে। ’

আন্তর্জাতিক শ্রমিক সংগঠনের লিয়ানা ফক্সভোগ বলেন, ‘বাংলাদেশে এ্যকরড এবং এলায়েন্স আসার পর গত কয়েক বছর ধরে গার্মেন্টেসে বড় কোনো ধরনের দুর্ঘটনা ঘটেনি এবং সরকার শ্রমিকদের বেতন বাড়ানোর ব্যবস্থা করেছে। তবে কিছুসংখ্যক প্রতিষ্ঠান এখনো পূর্ণ কমপ্লায়েন্ট হতে পারেনি। এ ব্যাপারে আরো কাজ করতে হবে। ’

বিএম/