eibela24.com
বুধবার, ১৪, নভেম্বর, ২০১৮
 

 
মিশরে ৩৫০০ বছরের পুরনো পিরামিড আবিস্কার
আপডেট: ০৭:০৪ pm ১৯-১২-২০১৭
 
 


মিশরে নতুন একটি পিরামিড আবিস্কৃত হয়েছে। মিশরের প্রত্নতাত্ত্বিক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খালিদ আল আনানী লুক্সোরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের নতুন আবিস্কারের ঘোষণা দেন। 

লুক্সোর শহরের পশ্চিম তীর থেকে ৪৫ কিলোমিটার দূরে একটি কবর আবিস্কৃত হয়েছে। তবে কবরটি পিরামিডের মত। কবরটি মিশরের দেবতা আমুনের স্বর্ণকার ও তার পরিবারের। এখানে বেশ কয়েকটি মমি ও সোনার অনেক তৈজসপত্র আবিস্কার করা হয়েছে। কবরটি বড় একটি পাহাড়ের অংশ মাত্র। তবে জেনে রাখা দরকার মিশরের প্রাচীন কবর গুলো ছিল প্রাসাদের মত। সেখানে জীবন ধারণের সকল প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রসহ সমাধিস্থ করা হতো। 

আর্কিওলোজিকাল গবেষকরা মনে করছেন, পুরো এলাকাটিতে গড আমুনের উচ্চপদস্থ কর্মচারীদের অনেক কবর পাওয়া যাবে। কবরের বয়স আনুমানিক ৩৫০০ বছর। সবচেয়ে আশ্চর্য হতে হয় কবরের আশেপাশের দেয়ালের হায়ারোগ্লিফি দেখে।

একইদিন একটি মন্দির পর্যটকদের জন্য প্রথম বারের মত খুলে দেয়া হয়। শিলালিপি অনুযায়ী মন্দিরের নাম আমুনেথের কুইয়ে বিজয় মন্দির। সবচেয়ে অবাক করার বিষয় হচ্ছে, পুরো মন্দিরটি অজ্ঞাত কারণে ৩ হাজার বছর আগেই মিশরের অন্য একজন দেবতা (মিশরের সম্রাটগন নিজেদের দেবতা বলত) ধ্বংস করে মাটি চাপা দেন। ১৯৬০ সালে পোলিশ সরকারের অর্থায়নে প্রথম ঐ এলাকাতে খনন কার্য পরিচালনা করা হয়। তখন কেউ ধারনা করতে পারেনি যে এমন একটি পরিপূর্ণ প্রাসাদ মাটির নিচে চাপা থাকতে পারে। 

এই প্রত্নতাত্ত্বিক সাইটটি পৃথিবীর অন্যতম ব্যয়বহুল ও দীর্ঘসময় ধরে চলা প্রকল্প। দীর্ঘ ৫৭ বছর পর সাইটটি পর্যটকদের জন্য খুলে দেয়া হয়েছে। ভেঙ্গে ফেলা অংশগুলি পুননির্মানের পর সামনের অংশ খুলে দেয়া হয়েছে। ভেতরে আরো গবেষণা চলমান রয়েছে। এই মন্দিরের দেয়ালের হায়ারোগ্লিফি নতুন এক সভ্যতার বার্তা দিচ্ছে। এ নিয়েও বিস্তারিত গবেষণা শুরু হয়েছে।


ইউএইচকে/আরপি