eibela24.com
মঙ্গলবার, ২৫, সেপ্টেম্বর, ২০১৮
 

 
সৈয়দপুরে কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো হচ্ছে টমেটো
আপডেট: ০৭:০৬ pm ২৩-১২-২০১৭
 
 


নীলফামারীর সৈয়দপুরে ট্রাকে-ট্রাকে আসছে কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো লাল টুকটুকে টমেটো। দেখলেই কিনতে মন চায়। অবাধে এসব টমেটো বিক্রি হচ্ছে হাটবাজারে। শহরের বড় ব্যবসায়ীরা এসব টমেটো এনে বিক্রি করছেন।

চিকিৎসকেরা বলছেন, ওই টমেটো খেলে কিডনি নষ্টসহ ক্যানসারের মতো কঠিন রোগ হতে পারে। সৈয়দপুর সবজি বাজারের কয়েকজন আড়ত মালিক বলেন, প্রায় এক মাস ধরে রাজশাহীর গোদাগাড়ি থেকে কৃত্রিম উপায়ে পাকানো টমেটো বাজারে আসছে। সেখানকার মোকাম মালিকেরা একটা দর বেঁধে দিয়ে এখানে পাঠাচ্ছেন। সৈয়দপুরের আড়তদারেরা সেই টমেটো খুচরা দরে বিক্রি করছেন। শুরুতে এই টমেটো ২০০ টাকা কেজি বিক্রি হলেও এখন ৩৫-৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। খুচরা ব্যবসায়ীরা সেই টমেটো ৬০-৭০ টাকায় বিক্রি করছেন ক্রেতাদের কাছে। এই শীত মৌসুমে টমেটো পাকে না, ক্রেতাদের সে ধারণা না থাকায় এসব টমেটো কিনে প্রতারিত হচ্ছেন।

আড়ত মালিক আফতাব আলম বলেন, এখানে ওষুধ ও কেমিক্যাল দিয়ে টমেটো পাকানো হয় না। এখানকার ব্যবসায়ী ও কৃষকেরা এই কাজ করছেন। এতে ১৫-২০ দিন টমেটো রেখে বিক্রি করা যায়।

কৃত্রিম উপায়ে পাকানো এসব টমেটো সৈয়দপুর পৌরবাজার, রেলওয়ে গেট বাজার, টার্মিনাল বাজার, আদানীর মোড়, চৌমহনী, হাজারীহাট, পোড়ার হাট, ক্যান্ট বাজার, নিচু কলোনি ও প্রতিটি পাড়া-মহল্লার বাজারে বিক্রি হচ্ছে এবং ফেরিওয়ালারা বিক্রি করছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ হোমায়রা মন্ডল বলেন, উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে প্রায় ৫০০ হেক্টর জমিতে শীতকালীন শাকসবজির আবাদ করছেন কৃষকেরা। ইতিমধ্যে শীতের শাকসবজি বাজারে উঠলেও টমেটো ওঠতে আরও মাস দেড়েক অপেক্ষা করতে হবে। শীত ও কুয়াশার কারণে টমেটো পাকে না। ফলে লাল ও হলুদ বর্ণ আসে না।

সৈয়দপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম বলেন, কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো টমেটোর ভিটামিন ও স্বাদ দুটোই নষ্ট হয়, যা খেলে কিডনি নষ্ট, পেটের সমস্যা, লিভারে সমস্যা এবং ক্যানসারের মতো কঠিন রোগ হতে পারে।

এম/এসএম