eibela24.com
শনিবার, ১৭, নভেম্বর, ২০১৮
 

 
আবির দাসকে ব্যাট দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করল মিরাজ মিয়া
আপডেট: ১০:৫৮ am ২৪-১২-২০১৭
 
 


বরিশালে ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে এক স্কুলছাত্রকে ব্যাট দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। শনিবার ভোরে গুরুতর আহত অবস্থায় অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে ওই স্কুলছাত্রের মৃত্যু হয়। মৃত আবির রবি দাস নগরীর আছমত আলী খান ইন্সটিটিউট থেকে এ বছর জেএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন। সে দক্ষিণ চকবাজার এলাকার জয় দাসের ছেলে। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আবির রবি দাসের বাবা জয় দাস।

স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার দুপুরে ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে ওই এলাকার বাবুল মিয়ার ছেলে ও সহপাঠী মিরাজের সঙ্গে আবিরের দ্বন্দ্ব হয়। একপর্যায়ে মিরাজ আবিরকে ফলপট্টি মন্দিরের সামনে ব্যাট দিয়ে মাথায় আঘাত করে। এতে আবির গুরুতর আহত হলে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি ঘটলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে গতকাল ভোরে আবিরের মৃত্যু হয়। এদিকে আবিরের মৃত্যুতে ফলপট্টি ও দক্ষিণ চকবাজার এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নিহতের বাবা জয় দাস জানান, শুক্রবার বিকালে ফলপট্টিতে শর্তসাপেক্ষে বল কিনে ক্রিকেট খেলা হয়। খেলায় জয়ী হয়ে শর্ত অনুযায়ী আবির বল নিয়ে চলে যেতে চায়। কিন্তু মিরাজ ওই বল দিয়ে আরও একটি ম্যাচ খেলার জন্য বলে। দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে গিয়ে মিরাজ বলটি ফাটিয়ে ফেলে। তখন আবির বল কিনে দেয়ার জন্য মিরাজকে বললে দু’জনের মধ্যে বিরোধ হয়। একপর্যায়ে মিরাজ তার হাতে থাকা ক্রিকেট ব্যাট দিয়ে আবিরের মাথায় আঘাতসহ পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। নিহত আবির রবি দাসের স্বজন দলিত পরিষদ বরিশাল মহানগর শাখার সভাপতি জীবন রবি দাস জানান, নিরীহ একটি ছেলেকে হত্যা করেছে ওই বখাটে। আবির মেধাবী ছাত্র ছিল। তার পড়ালেখায় যেমন মনযোগ ছিল, তেমন খেলাধুলায়ও পারদর্শী ছিল। আমরা আবিরেরর হত্যাকারীর দ্রুত বিচারের দাবি জানাচ্ছি। ইতিমধ্যে আবিরকে হত্যাকারী মিরাজ গা ঢাকা দিয়েছে। তাকে যেন দ্রুত আটক করা হয় সে জন্য পুলিশের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের সেকেন্ড অফিসার সত্যরঞ্জন খাসকেল জানান, এ ঘটনায় মামলা করা না হলেও ঘাতক মিরাজের বাবা বাবুল মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। তবে মিরাজ পলাতক রয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের এ কর্মকর্তা।


প্রচ