eibela24.com
বৃহস্পতিবার, ১৫, নভেম্বর, ২০১৮
 

 
মার্শাল আর্ট কন্যা সান্ত্বনা রানী 
আপডেট: ১০:৫৫ am ০৩-০১-২০১৮
 
 


লালমনিরহাটের সেই মার্শাল আর্ট কন্যা সান্ত্বনা রানী রায়ের সাফল্যের ঝুড়িতে এখন দেশি-বিদেশি ছয়টি স্বর্ণপদক। এ ছাড়া তাঁর ঝুড়িতে রয়েছে আরও একটি রৌপ্য ও একটি ব্রোঞ্জপদক।

সান্ত্বনা রানী আদিতমারীর সারপুকুর ইউনিয়নের হরিদাশ গ্রামের কৃষক সুভাষ রায়ের মেয়ে। তিনি ইতিহাসে মাস্টার্স ও এলএলবি পাস। তিনি ২০০৫ সাল থেকে মার্শাল আর্ট (কারাতেদো, তায়কোয়ান্দো) অনুশীলন করছেন। তিনি ২০১১ সালে ব্ল্যাকবেল্ট অর্জন করেন। বাংলাদেশে তায়কোয়ান্দোতে ব্ল্যাকবেল্টধারী ১০ নারীর মধ্যে তিনি অন্যতম।

সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর ঢাকার মিরপুর শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে অগ্রণী ব্যাংক নবম জাতীয় তায়কোয়ান্দো প্রতিযোগিতা এবং সোমবার অগ্রণী ব্যাংক চতুর্থ বাংলাদেশ কাব তায়কোয়ান্দো প্রতিযোগিতায় সান্ত্বনার ঝুড়িতে দুটি স্বর্ণপদক যোগ হয়। 

বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক তায়কোয়ান্দো অ্যাসোসিয়েশন প্রতিযোগিতা দুটির আয়োজন করে। এবারের প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পদক বিতরণ শেষে গত সোমবার মিরপুর শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে তায়কোয়ান্দো অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে সান্ত্বনাকে বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয়।

এদিকে ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে উত্তর কোরিয়ার রাজধানী পিয়ংইয়ংয়ে অনুষ্ঠিত ২০তম ওয়ার্ল্ড তায়কোয়ান্দো চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের পক্ষে ব্রোঞ্জপদক পাওয়ায় তাঁকে সম্মাননা হিসেবে একটি ক্রেস্ট দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, সান্ত্বনা ২০১১ সালের ডিসেম্বরে ঢাকায় অনুষ্ঠিত জাতীয় আইটিএফ তায়কোয়ান্দো চ্যাম্পিয়নশিপে রৌপ্যপদক, ২০১২ সালের জানুয়ারিতে ঢাকায় অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় ফজিলাতুন্নেছা মুজিব আন্তর্জাতিক তায়কোয়ান্দো চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক পান। ২০১৪ সালে এপ্রিলে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত সপ্তম এশিয়ান তায়কোয়ান্দো চ্যাম্পিয়নশিপে স্বাগতিক নেপালকে পরাজিত করে সান্ত্বনা স্বর্ণপদক লাভকরেন। তিনি ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে ঢাকায় অনুষ্ঠিত সপ্তম জাতীয় আইটিএফ তায়কোয়ান্দো চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক পান।তা ছাড়া এ প্রতিযোগিতায়সেরা খেলোয়াড় হওয়ায় তিনি আরও একটি স্বর্ণপদক পান।

সান্ত্বনা রানী বলেন, ‘আমার ধারাবাহিক এ সাফল্য অর্জনে যাঁরা আমাকে উৎসাহ দিয়েছেন, সহযোগিতা করেছেন, অনুপ্রেরণা দিয়েছেন, তাঁদের সবার প্রতি বিশেষ করে প্রথম আলো পরিবারের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।’

প্রচ