eibela24.com
রবিবার, ১৮, নভেম্বর, ২০১৮
 

 
চুয়াডাঙ্গায় জেকে বসেছে শীত, জনজীবন স্থবির
আপডেট: ০৪:৪৭ pm ০৬-০১-২০১৮
 
 


চুয়াডাঙ্গায় জেকে বসেছে শীত। ফলে স্থবির হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। শনিবার চুয়াডাঙ্গায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৫ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ তাপমাত্রা এ মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। তাপমাত্রা নেমে যাওয়ায় তীব্র শীত অনুভুত হচ্ছে। গত বৃহস্পতিবারও চুয়াডাঙ্গায় ছিল দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ সামাদুল হক জানান, ডিসেম্বরের শেষের দিক থেকে তাপমাত্রা ক্রমাগত নিচের দিকে নামছে। মাঝে মধ্যে দু’একদিন তাপমাত্রা বাড়লেও পরদিন আবার তা নেমে আসে। এভাবে বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার চুয়াডাঙ্গায় রেকর্ড করা হয় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। 

তিনি জানান, তাপমাত্রার পাশাপাশি রয়েছে কুয়াশা। রাতে ও ভোরের দিকে কুয়াশা পড়ছে। 

চুয়াডাঙ্গার দৌলাতদিয়াড় গ্রামের পরিবহণ শ্রমিক আসাদুল হক বলেন, রাতে ও ভোরে গাড়ি চালানো যাচ্চে না। একটু পরপর কুয়াশার কারণে ড্রাইভার গাড়ি স্লো চালাচ্চে।

গত তিনদিন ধরে চলছে এই অবস্থা। এ কারণে জনজীবনে নেমে এসেছে দূর্ভোগ। শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বৃদ্ধরা। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে প্রতিদিনই শীতে অসুস্থ হয়ে রোগী ভর্তি হচ্ছে।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শামিম কবীর জানান, গত তিন দিনে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ডায়রিয়া ও ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে ৫ শতাধিক রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায় চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ৩৩ শিশু ও ডায়রিয়া ওয়ার্ডে ৩০জন শিশু ভর্তি ছিল।

আক্রান্ত রোগীর স্বজন সদর উপজেলার ডিঙ্গেদহ গ্রামের মিলন আলী জানান, শীতে আমার ছেলের শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। আমি তাকে হাসপাতালে এনে ভর্তি করি।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. শিরীন জেবীন সুমি জানান, শনিবার বেশ কয়েকজন ডায়রিয়া ও ঠান্ডাজনিত কারণে অসুস্থ রোগি হাসপাতালে এসে ভর্তি হয়েছেন। এসময় সচেতনতা খুব জরুরি। কুয়াশা থেকে দূরে থাকতে হবে। বাইরের এবং বাসি খাবার খাওয়া যাবে না।

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ সামাদুল হক জানান, শনিবার চুয়াডাঙ্গার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৫ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। 

জেএ/এসকে