eibela24.com
রবিবার, ১৮, নভেম্বর, ২০১৮
 

 
শীতে হাঁপানি থেকে মুক্তির ঘরোয়া সমাধান
আপডেট: ০১:৩৬ pm ০৮-০১-২০১৮
 
 


হাঁপানি রোগীদের জন্য শীতল আবহাওয়া, সর্দি-কাশি-ফ্লু বা ঠান্ডাজ্বর প্রচণ্ড কষ্ট আর বিপদের কারণ হতে পারে। প্রতি বছর শীতে শিশুদের ক্ষেত্রে ৮০ শতাংশ এবং বড়দের ৪০ শতাংশ হাঁপানি বা শ্বাসকষ্টের তীব্রতা বেড়ে যায়। এর প্রধান কারণগুলো হলো: এই সময়ে ঠান্ডা, জ্বর বা ফ্লুর প্রকোপ, ঠান্ডা-শুষ্ক বাতাস যা শ্বাসতন্ত্র সংকুচিত করে, শীতে বেড়ে যাওয়া ধুলাবালু ও ধোঁয়ার পরিমাণ, কুয়াশা ও বদ্ধ গুমোট পরিবেশ ইত্যাদি। এসবই শ্বাসতন্ত্রের সংবেদনশীলতা বাড়িয়ে দেয়, ফলে হাঁপানি রোগীর কষ্ট বাড়ে।

তাই ঘন ঘন শ্বাসের কষ্ট থেকে মুক্তি পেতে ঘরোয়া কিছু টোটকা দেয়া হলো-     

পেঁয়াজ
পেঁয়াজ যে কোনও প্রদাহজনিত রোগ উপশমে খুবই উপকারি। তাছাড়া নাকের পথ পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। শ্বাসকষ্ট দূর করতে কাঁটা পেঁয়াজ খেয়ে দেখতে পারেন।

লেবু
লেবুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এক গ্লাস পানির মধ্যে লেবুর রস এবং সামান্য চিনি দিয়ে প্রতিদিন খেয়ে দেখতে পারেন। হাঁপানির কষ্ট অনেক কম হবে।

ল্যাভেন্ডার তেল
গরম পানির মধ্যে ৫-৬ ফোঁটা ল্যাভেন্ডার তেল ফেলে দিন। এবার ধীরে ধীরে ভেপার নিন। ম্যাজিকের মতো কাজ হবে।

মধু
হাঁপানি নিরাময়ের অন্যতম প্রাচীন টোটকা হল মধু। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন রাতে ঘুমাবার আগে এক চামচ মধুর সঙ্গে দারচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে খেলে শ্বাসকষ্ট কমে যায়। সর্দি-কাশিতেও অনেক আরাম পাওয়া যায়।  

আদা
পানির মধ্যে এক টুকরো আদা ফেলে ফোটান। এ বার পাঁচ মিনিট রেখে সেই মিশ্রণ খেয়ে নিন। শুধু হাঁপানি নয়, জ্বর, সর্দি-কাশি নয়, যে কোনও রোগেই সমান উপকারি আদার রস।

রসুন
এক কাপ দুধের মধ্যে ৩-৪ কোয়া রসুন ফেলে ফুটিয়ে সেই মিশ্রণ পান করুন। ফুসফুসের যে কোনও রোগ নিরাময়ে রসুনের রস খুবই উপকারি।

কফি
হাঁপানির কষ্ট নিরাময়ে খুবই নির্ভরযোগ্য পানীয় কফি। এক কাপ গরম কফি শ্বাসনালীর প্রদাহ কম করে। শরীরে এনার্জি যোগায়।

নি এম/