eibela24.com
শনিবার, ১৭, নভেম্বর, ২০১৮
 

 
তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা ২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস
আপডেট: ০৩:৪০ pm ০৮-০১-২০১৮
 
 


তীব্র শৈত্যপ্রবাহের দাপটে তাপমাত্রা কমা অব্যাহত হয়েছে। রবিবার দিনাজপুরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৫ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সোমবার তা আরও কমে ৩ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে এসেছে। তবে এদিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়, যা গত ৫০ বছরের মধ্যেই সবচেয়ে কম।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, সোমবার তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়ায়। এছাড়া সৈয়দপুরে সর্বনিম্ন ২ দশমিক ৯, ডিমলায় সর্বনিম্ন ৩, রাজারহাটে সর্বনিম্ন ৩ দশমিক ১ ও দিনাজপুরে সর্বনিম্ন ৩ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

এর আগে ১৯৬৮ সালে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে সর্বনিম্ন ২ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল জানিয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, এতোদিন পর্যন্ত সেটাই ছিল দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রার রেকর্ড।

প্রচণ্ড শীতের কারণে এসব অঞ্চলে হতদরিদ্র ও ছিন্নমুল মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় কাজ করতে পারছেন না শ্রমজীবী মানুষ। বিশেষ করে নির্মাণ ও কৃষি শ্রমিকরা পড়েছেন চরম বিপাকে।

গত বুধবার থেকে শৈত্যপ্রবাহ শুরুর পর তাপমাত্রাও কমতে শুরু করে। রবিবার দিনাজপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৫ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসে, যা সেদিন ছিল দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। সোমবার তাপমাত্রা আরও কমে এসেছে। দিনাপুরেরও কমেছে। তবে সবচেয়ে বেশি কমেছে তেুঁতুলিয়ায়। আর হাড় কাঁপানো কনকনে এই শীতে ব্যাহত হচ্ছে এই অঞ্চলের মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের উচ্চ আবহাওয়া পর্যবেক্ষক মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, সোমবার সকালে তেঁতুলিয়া সর্বনিম্ন ২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

পঞ্চগড় জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. সামছুল হক জানান, এখানে আবাদী ফসলের তেমন ক্ষতি হয়নি। তবে এমন তাপমাত্রা চলতে থাকলে বোরো বীজতলার ক্ষতি হতে পারে।

এদিকে তীব্র শীতে বয়স্ক ও শিশুরা শীতজনিত নানান রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। সর্বশেষ সোমবার সকাল পর্যন্ত জেলা আধুনিক সদর হাসপাতালে ৪০ শিশু শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি রয়েছে। এছাড়া জেলার পাঁচ উপজেলার বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে শাতাধিক শিশু ও শীতজনিত রোগী ভর্তি রয়েছে। এছাড়া প্রতিদিন বহির্বিভাগে শীতজনিত শতশত রোগী চিকিৎসা নিচ্ছে।

এসকে