eibela24.com
বৃহস্পতিবার, ১৩, ডিসেম্বর, ২০১৮
 

 
মুরগির খামার গড়ে স্বাবলম্বী শান্তনা চাকমা
আপডেট: ১১:১৫ am ১৫-০১-২০১৮
 
 


কামিলাছড়ি এলাকার বাসিন্দা শান্তনা চাকমা মুরগির খামার করে সাফল্য পেয়েছেন। পারিবারিক গৃহস্থালী কাজের পাশাপাশি শান্তনা এ মুরগির খামার গড়ে তুলেছেন বলে জানা গেছে। তার খামারে শতাধিক দেশি মুরগি রয়েছে। প্রতিদিন সকাল-দুপুর-বিকাল শান্তনা চাকমা নিজ হাতে মুরগিদের খাবার দেন। খাবারের সময় হলে কিছু মুরগি দল বেঁধে খামারের সামনে চলে আসে। আবার কিছু কিছু মুরগি পাহাড়ের আনাচে কানাচে ঘুরে বেড়ায় আর পোকা-মাকড় খায়। মুরগিদের খাবার দেবার জন্য শান্তনা বিশেষ এক ধরনের ব্যবস্থা করেছেন। একটি মোটা বাঁশকে দুই ফালি করে একটি ফালি শুন্যে ঝুলিয়ে রাখেন। পরে ওই বাঁশের ফালির মধ্যে শান্তনা নিজ হাতে খাবার রাখেন। মুরগির দল বাঁশের ফালির মধ্যে রাখা খাবার খায়।

শান্তনা জানান, তার খামারে বিভিন্ন ধরনের মুরগি রয়েছে। বড় রাতা মুরগি আছে ১২টি। ডিম পাড়া মুরগি আছে ৪০টি। এছাড়াও বিভিন্ন রকমের মুরগি খামারেরয়েছে। শান্তনা প্রতিদিন খামার থেকে বেশ কিছু দেশি মুরগির ডিম পান। ওই ডিম নিজেরা খান। পাশাপাশি আত্মীয়-স্বজন ও পাড়া-প্রতিবেশীদেরও দেন। কিছু ডিম বাজারে বিক্রি করেন। তিনি বলেন, বাজারে দেশি মুরগির ডিমের যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে। বাজারে নেবার সাথে সাথে ডিম বিক্রি হয়ে যায়। অনেকে ডিমের জন্য আগাম টাকা দিয়ে রেখেছেন। ডিম পাওয়া গেলেই টাকা প্রদানকারীদের আগে ডিম সরবরাহ করেন বলেও তিনি জানান। মুরগী লালন পালনের জন্য শান্তনা চাকমা বাড়ির আঙ্গিনায় একটি ঘর বানিয়েছেন। মুরগির দল সারাদিন বাইরে ঘুরে বেড়ায়। আর সন্ধ্যা হলেই ঘরে চলে আসে। শান্তনা বলেন, পাহাড়ি মুরগির প্রতিও অনেকের আগ্রহ আছে। সাংসারিক প্রয়োজনে তিনি প্রায় সময় মুরগি বিক্রি করতে স্থানীয় বাজারে নিয়ে যান। বাজারে নেবার আগেই পথ থেকে অনেকে মুরগি কিনে নিয় যায় বলে জানান শান্তনা। মুরগির খামার করে শান্তনা সাফল্য পেয়েছেন বলেও এ প্রতিনিধিকে জানান। প্রতিনিয়ত মুরগির সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় শান্তনা অনেক খুশি।

প্রচ