eibela24.com
মঙ্গলবার, ২৫, সেপ্টেম্বর, ২০১৮
 

 
দেশে বিদেশি সাহায্যের পালে হাওয়া
আপডেট: ১০:০৬ am ১৬-০১-২০১৮
 
 


চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধ্বে ২৬৫ কোটি ডলার ছাড় করেছে বিভিন্ন দাতা দেশ ও সংস্থা; এই অঙ্ক গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৯৪ শতাংশ বেশি।

বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রকল্পে দাতাদের অর্থ ছাড় বেশ বেড়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) ২৬৫ কোটি (২.৬৫ বিলিয়ন) ডলার ছাড় করেছে বিভিন্ন দাতা দেশ ও সংস্থা। এই অঙ্ক ২০১৭ সালের একই সময়ের চেয়ে ৯৪ শতাংশ বেশি।

সরকারের উন্নয়ন কাজের গতি বাড়ায় বিদেশি ঋণ-সহায়তা বাড়ছে বলে দাবি করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

তিনি সোমবার বলেন, “আমরা অনেক বড় বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন করছি। আমাদের সক্ষমতা বেড়েছে। দেশে উন্নয়নের এক ধরনের জোয়ার তৈরি হয়েছে। আর এতে সন্তুষ্ট হয়ে ডোনাররা এখন বেশি অর্থ ছাড় করছে।”

একইসঙ্গে দাতা দেশ ও সংস্থাগুলোর প্রতিশ্রুত অর্থের (পাইপলাইনে থাকা অর্থ) পরিমাণ ৪০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে বলেও তথ্য দেন মুহিত।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব কাজী শফিকুল আযম বলেন, গত ২০১৬-১৭ অর্থবছরে সবমিলিয়ে ৩ দশমিক ৫৩ বিলিয়ন ডলার ছাড় করেছিল দাতারা।

চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথমার্ধেই অর্থাৎ জুলাই-ডিসেম্বর সময়ে ২ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন ডলার ছাড় করেছে, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৯৪ শতাংশ বেশি।

শফিকুল বলেন, “আমরা আশা করছি এ ইতিবাচক ধারা অব্যাহত থাকবে। এবং অর্থবছর শেষে গতবারের চেয়ে অনেক বেশি ফরেন এইড পাবে বাংলাদেশ।”

২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৩ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন ডলার ছাড় করেছিল দাতারা।

ইআরডির তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০১৫-১৬ অর্থবছর পর্যন্ত দাতাদের প্রতিশ্রুত ঋণ-সহায়তার পরিমাণ ছিল ২ হাজার ২০৭ কোটি (২২.০৭ বিলিয়ন) ডলার।

এরপর গত ২০১৬-১৭ অর্থবছরে পাইপলাইনে যুক্ত হয় ১ হাজার ৪৩৬ কোটি (১৪.৩৬ বিলিয়ন) ডলার।

চলতি অর্থবছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত দাতাদের সঙ্গে প্রায় ৫৬৫ কোটি ডলারের চুক্তি হয়েছে। সব মিলে পাইপলাইনের আকার ৪০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে।

প্রচ