eibela24.com
মঙ্গলবার, ১১, ডিসেম্বর, ২০১৮
 

 
হযরত আলীর নেতৃত্বে হিন্দু বাড়িতে হামলা, ভাংচুর, লুটপাট, দখল
আপডেট: ১০:২৩ am ০১-০২-২০১৮
 
 


বগুড়ার শিবগঞ্জে এক হিন্দু পরিবারের বাড়ি-ঘর ভাঙচুর করে আসবাবপত্র লুটপাট করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে  বুধবার শিবগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

থানার অভিযোগ ও গ্রামবাসী সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ময়দানহাট্টা ইউনিয়নের নিয়ামতপুর গ্রামে রামচরণ নুনিয়ার সঙ্গে একই গ্রামের হযরত আলীর বসতবাড়ির ২৭ শতক জায়গা নিয়ে গত ২০ বছর ধরে বিবাদ চলছে। বুধবার ভোরে হযরত আলীর পরিবারের লোকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে হঠাত্ রামচরণ নুনিয়ার বাড়িতে হামলা করে। রামচরণ নুনিয়া, তার স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে পার্শ্ববর্তী বাড়িতে পালিয়ে যায়। হামলাকারীরা বাড়িটির টিনের তৈরি প্রাচীর ও টিনের তৈরি তিনটি ছাপড়া ঘর ভাঙচুর করে। এসময় তারা বাড়ির ভিতরে থাকা গাছ কেটে ফেলে। এরপর হামলাকারীরা  ঘরের টিনের ছাউনি কেটে ফেলে এবং বাড়িতে থাকা মুরগি, চাল, হাঁড়ি-পাতিল ও লেপ-তোষকসহ যাবতীয় আসবাবপত্র লুটপাট করেনিয়ে যায়।

বুধবার দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, ভেঙে ফেলা জায়গায় হযরত আলীর পরিবার তড়িঘড়ি করে টিন ও বাঁশের খুঁটি দিয়ে একটি বসত ঘর নির্মাণ করছে। এ ব্যাপারে রামচরণ নুনিয়া বলেন, এই বসতবাড়ির সম্পত্তি আমার। দীর্ঘদিন ধরে এই জায়গা নিয়ে মামলা চলে আসছে। ইতোপূর্বে আমি রায় পেয়েছি। প্রতিপক্ষরা অতর্কিত হামলা চালিয়ে বাড়ির আসবাবপত্র, ঘরের টিন জোর করে নিয়ে গেছে।

হযরত আলী বলেন, এই ২৭ শতক জায়গা নিয়ে মামলা চলছে। আমি রায় পেয়েছি বলেই জমিটি দখল করতে গিয়েছিলাম। হামলা ও লুটপাটের ব্যাপারে তিনি বলেন, আমার লোকজন এ ধরনের ঘটনা ঘটায়নি।

ময়দানহাট্টা ইউপি চেয়ারম্যান এসএম রূপম বলেন, ওই জমি নিয়ে মামলা চলছে। 

শিবগঞ্জ থানার ওসি জাহিদ হাসান বলেন, বিষয়টি জানার পরই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে এবং বাড়ি ঘরের টিনের ছাউনি বিভিন্ন স্থান থেকে উদ্ধার করে রামচরণের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। উভয়পক্ষকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ থানায় আসার জন্য বলা হয়েছে।


প্রচ