eibela24.com
বুধবার, ১২, ডিসেম্বর, ২০১৮
 

 
২০০১ সালের পর ছুটি নেননি মোদি
আপডেট: ১০:২২ am ১০-০২-২০১৮
 
 


ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ফিলিস্তিনের উদ্দেশে শুক্রবার রওনা হয়েছেন। জর্ডানের আম্মানে যাত্রাবিরতি শেষে তিনি ফিলিস্তিনে পৌঁছাবেন। এটি হবে ভারতীয় কোনো প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ফিলিস্তিন সফর। চার দিনের এই সফরে তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমান যাবেন।

সন্ধ্যায় মোদি আম্মানে পৌঁছান। এখানে যাত্রাবিরতির সুযোগ দেওয়ায় দেশটির বাদশাহ দ্বিতীয় আবদুল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।    

এদিকে আমিরাত সফর সামনে রেখে ‘গালফ নিউজ এক্সপ্রেস’ ই-মেইলে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর অন্য রকম সাক্ষাৎকার নিয়েছে। রাজনীতির গুরুগম্ভীর বিষয়ের চেয়ে এখানে প্রাধান্য পেয়েছে ব্যক্তি মোদির নানা দিক। তিনি দিনটা কীভাবে কাটান, ছুটিতে কী করেন আর তার অনুপ্রেরণার উৎস নিয়ে কথা বলেন।

দিনের শুরুটা সম্পর্কে মোদি বলেন, যোগব্যায়াম করে দিনের শুরু। এরপর খবরের কাগজ পড়েন। ই-মেইল চেক করেন। জরুরি ফোনগুলো সেরে নেন। নরেন্দ্র মোদি মোবাইল অ্যাপে নাগরিকদের লেখাগুলো পড়েন। তারা কী বলছেন, ভাবছেন—সেগুলো তিনি মন দিয়ে দেখেন। এরপর সারাটা দিন কেটে যায় নানা ব্যস্ততায়।

খাওয়া-দাওয়া প্রসঙ্গে মোদি বলেন, খাবার নিয়ে তিনি তেমন ভাবেন না। ভোজনরসিকও না। নিরামিষ খাবারে ভোজ সারেন। আর বিদেশ সফরে গেলে তিনি কোনো পাচক নিয়ে যান না। ওই দেশের খাবারই তিনি খেয়ে নেন। এতে বিভিন্ন দেশের খাবারের স্বাদটাও তার চাখা হয়ে যায়। 

ঘুম নিয়ে জানতে চাইলে মোদি বলেন, সাধারণত কাজের চাপের ওপর নির্ভর করে কতটা সময় তিনি ঘুমাতে পারবেন। চার থেকে ছয় ঘণ্টা তিনি ঘুমান। ঘুমাতে যাওয়ার আগে তিনি পরের দিনের সভার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রগুলো দেখেন। তবে ঘুম নিয়ে তার কোনো ঝামেলা নেই। শোয়ামাত্রই ঘুমের রাজ্যে চলে যেতে পারেন তিনি। প্রতি রাতে গভীর ঘুম হয়। ঝরঝরে ঘুম শেষে সুন্দর সকাল শুরু করেন বলে জানালেন। 

মোদি নিজের জীবনদর্শন সম্পর্কে বলেন, সপ্তাহের প্রতিটি দিনই তার প্রিয়। কারণ, তিনি বর্তমানে বাঁচেন। মনে করেন, আজকের দিনটাই কাজ করার জন্য হাতে আছে। এর সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার করা উচিত। স্বামী বিবেকানন্দ, মহাত্মা গান্ধী, সরদার বল্লবভাই প্যাটেল, ভগৎ সিং ও বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিনের মতো ব্যক্তিত্বরা তার অনুপ্রেরণা। 

ছুটির দিন কীভাবে কাটে—এমন প্রশ্নের জবাবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি ছুটি কাটান না বহু বছর ধরে। ২০০১ সালে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে তার জীবনে কোনো ছুটির দিন নেই। তবে রাজনীতিবিদ হিসেবে তিনি ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে যান। মানুষের আনন্দ-বেদনার কথা শোনেন। এভাবেই নিজেকে সমৃদ্ধ করেন। বৈচিত্র্যের স্বাদ নেন।

বিএম/