eibela24.com
রবিবার, ১৮, নভেম্বর, ২০১৮
 

 
নিকলীতে পাঁচ বছরে হিন্দু মেয়েদের বিয়ে নিবন্ধন হয়েছে দশটি
আপডেট: ১০:১৬ am ০৯-০৫-২০১৮
 
 


প্রচার-প্রচারণার অভাবে পাঁচ বছরে নিকলীতে আট-দশটির বেশি হিন্দু মেয়ের বিয়ের নিবন্ধন হয়নি। জানিয়েছেন উপজেলা হিন্দু বিয়ে নিবন্ধক সুকান্ত আচার্য্য।

জানা গেছে, ২০১২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতি হিন্দু মেয়েদের বিয়ে নিবন্ধন বিলটি অনুমোদন দেন। এরপর ২০১৩ সালের ২৭ জানুয়ারি হিন্দু মেয়েদের বিয়ে নিবন্ধন বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। ওই বছরের ২৫ আগস্ট আইন মন্ত্রণালয় নিকলী উপজেলার হিন্দু মেয়েদের নিবন্ধক হিসেবে নিয়োগ দেয় পণ্ডিত সুকান্ত আচার্য্যকে।

উপজেলা হিন্দু বিয়ে নিবন্ধক সুকান্ত আচার্য্য বলেন, ‘২০১৩ সালের ২৫ আগস্ট নিবন্ধকের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত আমার কাছে আট/দশটি বিয়ে নিবন্ধন হয়েছে। পাঁচ বছর ধরে অফিস ভাড়া ও প্রতি বছরের ৩১ মার্চ ১১৫০ টাকা সরকারি ফি জমা দিয়ে যাচ্ছি। মূলত সরকারি বেসরকারিভাবে প্রচারের অভাবে এমনটি হচ্ছে। উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে হিন্দু সম্প্রদায়ের ১০ থেকে ১২ হাজার লোক বসবাস করে। প্রতি বছর উপজেলায় শতাধিক হিন্দু বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু বিয়ে নিবন্ধনের জন্য কোনো পক্ষই আসে না। ফলে অফিস খুলে খাতা নিয়ে বসে থাকতে হয়।’

নিকলী সদর ইউপি চেয়ারম্যান শাহরিয়া আহমেদ বলেন, ‘মূলত প্রচারণার অভাবেই এমনটি হচ্ছে। মুসলিম আইনে নিবন্ধনের বাধ্যবাধকতা থাকলেও হিন্দু আইনে নেই। আর এ সুযোগে নিবন্ধন না করেই হিন্দু মেয়ের বিয়ে দেয়া হচ্ছে।’

নিকলী উপজেলা পূজা উদ্যাপন কমিটির সভাপতি জীবন আচার্য্য ও সাধারণ সম্পাদক বিপুল দেবনাথ বলেন, ‘আমরা উপজেলার হিন্দু সম্প্রদায়ের সকল নেতার সঙ্গে আলোচনা করে হিন্দু মেয়েদের বিয়ে নিবন্ধনের প্রয়োজনীয়তা প্রচার করার ব্যবস্থা করব।’

নিকলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইয়াহ্ ইয়া খান বলেন, ‘কিছু দিনের মধ্যে নিকলীর হিন্দু নেতাদের নিয়ে বসে হিন্দু মেয়েদের বিয়ের নিবন্ধনের প্রচারের বিষয়ে আলোচনা করে পদক্ষেপ নেব।’

নি এম/