eibela24.com
বুধবার, ১৯, সেপ্টেম্বর, ২০১৮
 

 
অস্বাভাবিক গর্ভধারণের কারণ ও চিকিৎসা
আপডেট: ১২:২৫ pm ১২-০৫-২০১৮
 
 


গর্ভধারণ জরায়ুর মধ্যে না হয়ে যখন জরায়ুর বাইরে শরীরের অন্য কোন স্থানে হয়ে থাকে তখন তাকে বলা হয় এক্টোপিক প্রেগনেন্সি। এটা সম্পর্কে অনেকের ধারণা নেই। বা কেনো এমন হয়, এটা হলে কি করতে হবে। তা অনেকেই জানেন না। এ ধরণের গর্ভধারণে বাচ্চা জরায়ুতে না এসে পার্শ্ববর্তী টিউবে আসে। সঙ্গে টিউব স্ফিত হতে পারে না। ফলে অবধারিতভাবে ফেটে যায়। সঙ্গে সঙ্গে অপারেশন করে বন্ধ করতে না পারলে রোগী মারা যায়। সাধারণত প্রতি ১৫০-৩০০জন মহিলার মধ্যে ১ জনের এটি হয়ে থাকে।

কেনো এমন হয়?
- পিআইডি মানে জরায়ু, টিউবের ইনফেকশন
- টিউবের অপারেশন
- ডিম্বনালিতে কোনো অপারেশন
- ডিম্বনালিতে জন্মগত কোনো ত্রুটি থাকলে।
- আগের এক্টোপিকের হিস্ট্রি

এক্টোপিক প্রেগন্যান্সির উপসর্গ-
- অল্প সময়ের জন্য মাসিক বন্ধ থাকা।
- বমি বমি ভাব, বমি হওয়া, মাথা ঘোরা, দুর্বলতা।
- নিচের পেটে অনেক ব্যথা হওয়া।
- ৫০ শতাংশ রোগীর ক্ষেত্রে রক্তস্রাব থাকতে পারে।
- রক্তপাত বেশি হলে রোগী অজ্ঞান হয়ে শকে চলে যেতে পারে,তখন রক্তচাপ কমে যায়, নাড়িরস্পন্দন দ্রুত হয়, বেশি বেশি ঘাম হয়, রোগী ফ্যাকাসে হয়ে যায়, শ্বাসকষ্ট হয়।
- পেটের মধ্যে রক্তক্ষরণ হওয়ার জন্য পেট ফুলে যায়।

ডায়াগনোসিস:-

- প্রেগন্যান্সি টেস্ট পজিটিভ
- আল্ট্রাসনোগ্রামে করলে দেখা যায় জরায়ু এম্পটি অর্থাৎ বাচ্চা জরায়ুতে না এসে আশেপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে মনের আনন্দে। আর তার মাকে নিয়ে যমে ডাক্তারে টানাটানি। কখনো এ পক্ষ জয়ী তো কখনো ও পক্ষ।

চিকিৎসা:-
টিউব ফেটে গেলে বুঝবেন কপালও ফেটেছে। সঙ্গে সঙ্গে অপারেশন করে রক্ত বন্ধ করা, না হলে নিশ্চিত মৃত্যু। আর হ্যাঁ, টিউব ও কেটে ফেলা ছাড়া উপায় থাকে না অনেক সময়। রক্ত লাগে অনেক। 

নি এম/