eibela24.com
রবিবার, ২৩, সেপ্টেম্বর, ২০১৮
 

 
‘বাংলাদেশ ভবন’র উদ্বোধন করেছেন শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদী
আপডেট: ০৩:৫৪ pm ২৫-০৫-২০১৮
 
 


পশ্চিমবঙ্গের বিশ্বভারতীতে ‘বাংলাদেশ ভবনে’র উদ্বোধন করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। 

শুক্রবার শান্তিনিকেতনের আম্রকুঞ্জে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন শেষে ভবনটির উদ্বোধন করা হয়।

এর আগে শান্তিনিকেতনের আম্রকুঞ্জে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে অংশ নেন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে নির্মিত ‘বাংলাদেশ ভবনে’ রয়েছে ৪৫০ আসনের প্রেক্ষাগৃহ, যা বিশ্বভারতীতে থাকা প্রেক্ষগৃহগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড়। ভবনটিতে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক এবং বাংলাদেশের বিভিন্ন বিষয়ের গ্রন্থের সংগ্রহ নিয়ে একটি পাঠাগারও তৈরি করা হয়েছে। এছাড়া ভবনের প্রবেশদ্বারের দুই প্রান্তে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মুর্যাল স্থাপন করা হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গের উদ্দেশে সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কলকাতার দমদম সুভাষ বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে সেখান থেকে ভারতের বায়ু সেনার একটি হেলিকপ্টারে তিনি শান্তিনিকেতন পৌঁছান। সেখানে দুদেশের প্রধানমন্ত্রী উত্তরায়ণে গিয়ে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর সেখানে রাখা স্মারক মন্তব্য বইতে মতামত লিপিবদ্ধ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদী।

সেখান থেকে বিশ্বভারতীর প্রথা অনুযায়ী দুদেশের প্রধানমন্ত্রী, পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল কেশরী লাল ত্রিপাটি ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যেপাধ্যায়সহ সকলেই হেঁটে আম্রকুঞ্জের মূল অনুষ্ঠানস্থলে আসন গ্রহণ করেন। এ সময় আম্রকুঞ্জে একই মঞ্চে হাসিনা ও মোদির পাশেই দেখা যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

এদিকে এই প্রথম বিশ্বভারতীর কোন সমাবর্তন মঞ্চে উপস্থিত থাকলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। তবে ৪২ বছর আগে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধার্থ শঙ্কর রায় সমাবর্তনে উপস্থিত থাকলেও ছিলেন দর্শক আসনে।

এছাড়া বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য হওয়ার পর এটাই মোদির প্রথম বিশ্বভারতী সফর। তবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর আগে বিশ্বভারতীর সর্বোচ্চ সম্মান ‘দেশিকোত্তম’ গ্রহণ করতে এসেছিলেন।

বিশ্বকবী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিষ্ঠিত বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৯তম এই সমাবর্তন অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা যোগ দিয়েছেন ‘গেস্ট অব অনার’ হিসেবে।

নি এম/