eibela24.com
শনিবার, ২২, সেপ্টেম্বর, ২০১৮
 

 
টেকনাফে বন্দুকযুদ্ধে পৌর কাউন্সিলর নিহত
আপডেট: ১০:৪৩ am ২৭-০৫-২০১৮
 
 


মাদক বিরোধী অভিযানে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) ও পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে টেকনাফ পৌরসভার কাউন্সিলর একরামুল হক (৪৬) নিহত হয়েছেন।

শনিবার দিবাগত রাতে কক্সবাজারের টেকনাফে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। 

নিহত মো. একরামুল হক (৪৬) টেকনাফ উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি। তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী বলে র‌্যাব কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে ১০ হাজার ইয়াবা, একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ওয়ান শ্যুটার গান, ছয় রাউন্ড গুলি ও পাঁচটি গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে।
 
নিহত একরাম টেকনাফ পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের খায়ুকখালীপাড়ার মৃত আবদুস সাত্তারের ছেলে এবং একই ওয়ার্ডের পর পর তিনবার নির্বাচিত কাউন্সিলর।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে র‌্যাব-৭ এর কক্সবাজার ক্যাম্প কমান্ডার মেজর রুহুল আমিন জানান, শনিবার রাতে নোয়াখালিয়া পাড়া থেকে একটি ইয়াবার চালান কক্সবাজার শহরে যাওয়ার কথা ছিল। এমন তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব মেরিন ড্রাইডে অবস্থান নেয়। কিন্তু র‌্যাবের উপস্থিতি টের ইয়াবা পাচারকারীরা র‌্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে। র‌্যাবও আত্নরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। এক পর্যায়ে পাচারকারীরা পিছু হটে। পরিস্থিতি শান্ত হলে সেখানে তারা একরামুলের মৃতদেহ দেখতে পান।

টেনাফ পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর একরাম ‘ইয়াবার শীর্ষ গডফাদার’। তার বিরুদ্ধে মাদকের অনেক মামলা রয়েছে।

প্রসঙ্গত, দেশব্যাপী চলমান মাদক ও ইয়াবা বিরোধী অভিযানে কক্সবাজার জেলার ৬ জনের মৃত্যূ হল। এদের মধ্যে গত শুক্রবার সকাল ৯টায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন এমপি বদির বেয়াই ও টেকনাফের কথিত ‘ইয়াবা ডন’ এবং ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য আকতার কামাল (৪১)।

জানা গেছে নিহত আকতার কামাল এমপি বদির বড় বোন শামসুন্নাহারের দেবর ও টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের সদস্য এবং একই এলাকার মৃত নজির হোসেনের ছেলে।

এর আগে গত ২৪মে বৃহস্পতিবার সকালে কক্সবাজারে শহরের কলাতলী এলাকা থেকে ইয়াবা ও অস্ত্রসহ গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মোহাম্মদ হাসান (৩৬) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। সে শহরের কলাতলী আদর্শগ্রাম এলাকার খুইল্ল্যা মিয়ার ছেলে। একইদিন মহেশখালীতে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ইয়াবা ব্যবসায়ী মোস্তাক মিয়া (৩২)নামে আরও এক ইয়াবা ব্যবসায়ী নিহত হয়। নিহত মোস্তাক বড় মহেশখালী ইউনিয়নের মুন্সিরড়েইল গ্রামের আনোয়ার পাশার ছেলে।

এছাড়াও ২৫মে টেকনাফের দুই ইয়াবা ব্যবসায়ী হ্নীলা পশ্চিম সিকদারপাড়ার মৃত মৌলভী দীল মোহাম্মদের বড় ছেলে ইসমাঈল (৪৩) এবং মৃত মোহাম্মদ হোসেন মেম্বারের ছেলে ওসমান(৩৭) নেত্রকোনায় পুলিশের সাথে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়। তবে তারা নেত্রকোনায় কিভাবে গেল এবং কিভাবে মারা গেল এ ব্যাপারে পরিবার এবং পুলিশ কিছুই জানেনা। আর নিহতদের ব্যাপারে টেকনাফ থানার পক্ষ থেকে কোন তথ্য পাওয়া য়ায়নি।

নি এম/চঞ্চল