eibela24.com
মঙ্গলবার, ২৫, সেপ্টেম্বর, ২০১৮
 

 
বাংলাদেশে ৫জি চালু হবে ২০২১ সালে: মোস্তাফা জব্বার
আপডেট: ০৪:৩২ pm ০৬-০৬-২০১৮
 
 


থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে চতুর্থ বার্ষিক ‘হুয়াওয়ে এশিয়া-প্যাসিফিক ইনোভেশন ডে’ সম্মেলনে ডিজটাল এশিয়া প্যাসেফিক অঞ্চল গড়তে নতুন উদ্ভাবনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে  দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ডিজিটাল ইকোসিস্টেমের জন্য ৮১ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

বুধবার হুয়াওয়ে টেকনোলজিস এবং থাইল্যান্ডের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের যৌথ আয়োজনে এ অনুষ্ঠানের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হলো ‘ডিজিটাল এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের জন্য উদ্ভাবন’। আর এর সাথে সঙ্গতি রেখে ব্যবহার করা হয়েছে হাতির সাথে গরুর ইন্টারনেট সংযোগের প্রতীকী ছবি। বাস্তবে এ দুই প্রাণীর মধ্যে এটা সম্ভব না হলেও মানুষের মধ্যে ডিজিটাল বৈষম্য যে অচিরেই ঘুচতে চলেছে তা এই ছবিতে বোঝানো হয়েছে। 

সারা বিশ্ব থেকে মোট ৩০০ জন সরকারি প্রতিনিধি ও প্রযুক্তি খাত বিশেষজ্ঞরা ওই অনুষ্ঠানে অংশ নেন। বাংলাদেশ থেকে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। তিনি বলেন, হুয়াওয়ে বড় মাপের একটি গ্লোবাল আইসিটি কম্পানি। ওয়ার্ল্ড জিএসএমএ সম্মেলনে এই কম্পানির কার্যক্রম সম্পর্কে উপস্থাপনা দেখেছি। এরা ৫জি নিয়ে বড় মাপের কাজ করছে। বাংলাদেশে আমাদের টার্গেট হচ্ছে ২০২১ সালে ৫জি সেবা চালু করা। দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার সাথে সঙ্গতি রেখে এই সর্বাধুনিক সেবা চালু করা আমাদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের প্রথম দিনে অন্যান্যরা ডিজিটাল অর্থনীতির ভবিষ্যৎ, কীভাবে ডিজিটাল অবকাঠামো মানুষের জীবনকে সমৃদ্ধ করে ও নতুন ব্যবস্থাকে ত্বরান্বিত করে, নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবন এবং সফলতার জন্য একটি ডিজিটাল ইকোসিস্টেম তৈরি করা ইত্যাদি বিষয়ে কথা বলেন।

থাইল্যান্ডের ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী ড. সমকিদ জাটুসরিপিটাক অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্য প্রদান করেন। বক্তৃতায় তিনি থাইল্যান্ডের ‘গোয়িং ডিজিটাল’ স্ট্র্যাটেজির কথা তুলে ধরেন, যা দেশটির ডিজিটাল রূপান্তরে মূল ভূমিকা পালন করছে এবং থাইল্যান্ডের অর্থনীতিকে আধুনিকীকরণ করছে। তিনি থাইল্যান্ডে ডিজিটাল ইনোভেশনের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে থাই সরকারের প্রতিশ্রুতি পুর্নব্যক্ত করেন এবং দেশটির আইসিটি খাতের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ কন্ট্রিবিউটার হিসেবে হুয়াওয়ের ভূমিকার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, ‘আমি থাইল্যান্ড সরকার এবং হুয়াওয়ের আরো গভীর সম্পর্ক দেখতে চাই।’এ ছাড়াও তিনি জানান, থ্যাইল্যান্ড ২০২০ সালের আগেই ৫জির কথা ভাবছে।

থাইল্যান্ডের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রী ড. সুভিত মায়েসিন্সসহ সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর প্রতিনিধিরাও এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে নিজেদের মতামত ব্যক্ত করেন।

নি এম/