eibela24.com
বৃহস্পতিবার, ১৫, নভেম্বর, ২০১৮
 

 
হত্যাকান্ডের ঘটনায় তিন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী আটক
আপডেট: ০৯:৩২ pm ২৩-০৬-২০১৮
 
 


কক্সবাজারের উখিয়ার বালুখালী ক্যাম্প ২ এর রোহিঙ্গা শিবিরের রোহিঙ্গা নেতা আরিফুল্লাহকে পরিকল্পিতভাবে জবাই করে হত্যা করার ঘটনায় পুলিশ শুক্রবার রাতে ৩ রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীকে আটক করেছে। 

পুলিশ তাদেরকে কক্সবাজার জেলহাজতে প্রেরণ করেছেন। আটককৃত রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা হলেন, বালুখালী ক্যাম্প-২ মৃত ফজল করিমের ছেলে এনায়েত উল্লাহ (৪১), একই ক্যাম্পের মৃত আব্দুস শুক্ররের ছেলে আব্দুল্লাহ (৬০) ও বালুখালী ই-২৬ নং ব্লকের মৃত নুর মোহাম্মদের ছেলে মোঃ আনোয়ার (৩৮)।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী রোহিঙ্গা সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাত ৯টার দিকে জঙ্গী রোহিঙ্গা গ্রুপের সদস্যরা হেড মাঝি আরিফুল্লাহকে পরিকল্পিতভাবে একটি সিএনজি গাড়ী থেকে নামিয়ে রাস্তার উপর প্রকাশ্যে জবাই করে হত্যা করে পালিয়ে যায়। যা নিয়ে রোহিঙ্গা শিবিরে নতুন করে উগ্রপন্থীদের অস্তিত্ব নিয়েও সন্দেহ বাড়ছে। 

বালুখালী ২নং ক্যাম্পের হেড মাঝি আবু তাহের জানান, নিহত রোহিঙ্গা নেতা আরিফুল্লাহ রহস্যময় রোহিঙ্গা হিসাবে পরিচিত ছিলেন। তাকে রোহিঙ্গা জঙ্গী গোষ্ঠিরা আরো বেশ কয়েকবার হত্যার পরিকল্পনা নিয়েছিলেন।

রোহিঙ্গা শিবিরে অবস্থানরত বেশ কিছু রোহিঙ্গা জানান, তিনি রাখাইনের মূলত রোহিঙ্গাদের জঙ্গী গ্রুপ হিসাবে পরিচিত আল ইয়াকিন তথা আরকান রোহিঙ্গা সলভেনশন আর্মি (আরসার) বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে বিদেশীদের কাছে রোহিঙ্গাদের নিয়ে বাণিজ্য, ক্যাম্পে নারী কেলেংকারী, বিচারের নামে বাণিজ্য এবং আল ইয়াকিন তথা আরাকান রোহিঙ্গা সলভেনশন আর্মি (আরসার) বিভিন্ন তথ্য স্থানীয় প্রশাসন ও বিদেশীদের কাছে পাচারের সন্দেহ করা হতো। এ কারণে নিহত আরিফুল্লাহ রোহিঙ্গা শিবিরে অবস্থানকারী রাখাইনের জঙ্গী গ্রুপ হিসাবে পরিচিত আল ইয়াকিনের হুমকি ছিল। 

এর আগেও ১৯ জানুয়ারী তার উপর রোহিঙ্গাদের একটি গ্রুপ হামলা করেছিল। এসময় তিনি বেঁচে গেলেও তার ছোট ভাই মহিবুল্লাহ ছুরিকাহত হয়। আরিফুল্লাহ দীর্ঘ দিন ধরে আল ইয়াকিন গ্রুপের টার্গেট ছিল। কিন্তু তাকে হত্যার চেষ্টা করে কয়েকবার ব্যর্থ হলেও এবার তারা সফল হয়েছে।

উখিয়া থানার ওসি মোঃ আবুল খায়ের জানান, আরিফুল্লাহ হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ৩ জন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদেরকে পুলিশ আটক করেছে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।

সিডিজি/বিডি