eibela24.com
বৃহস্পতিবার, ২০, সেপ্টেম্বর, ২০১৮
 

 
নীলফামারীতে জমি দখলের জন্য সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলা
আপডেট: ১০:০৬ pm ২৫-০৬-২০১৮
 
 


নীলফামারীর জলঢাকায় জমি সংক্রান্ত ঘটনার জের ধরে এক সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলা চালিয়েছেন সন্ত্রাসীরা। এতে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে। 

সংঘর্ষে ৩ জন গুরুতর আহত হলে তাদেরকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে আহত ৩ জনের অবস্থা আশঙ্খাজনক দেখে তাৎক্ষনিক রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হস্তান্তর করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।

আহতরা হলেন, উপজেলার সিংড়িয়া শৌলমারী মাঝাপাড়ার মৃত তুলা রাম বর্মনের ছেলে অব: প্রাপ্ত হেলথ ইন্সপেক্টর জিতেন্দ্র নাথ বর্মা (৬৮), ছেলে জলঢাকা পৌরসভার স্যানিটারী ইন্সপেক্টর হৃষিকেশ রাজবংশী (৩২), ছেলে ঢাকা হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজের শেষ বর্ষের অধ্যায়নরত নিরঞ্জন রাজবংশী (২২)। অন্যান্য আহতরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছে।

ঘটনার বিবরণে প্রকাশ, উপজেলার শৌলমারী সিংড়িয়ার মাঝাপাড়া এলাকার প্রভাবশালী দস্যু আফছার ও আজগারের জমি বিগত ১৫ বছর আগে ক্রয় করে একই এলাকার তুলা রাম রায়ের ছেলে জিতেন্দ্র নাথ বর্মন। ক্রয়কৃত জমিতে দীর্ঘদিন থেকে চাষাবাদ ও ভোগদখল করে আসছে বর্মা পরিবার। ওই জমি নিজের দাবী করে বিক্রেতারা আবারও পূর্ণ দখলের চেষ্টা চালায়। এরই সূত্র ধরে, শনিবার সকালে হুমকী প্রদান করলে সংখ্যালঘু পরিবারটি বিষয়টি থানায় অবহিত করে। পরে দ্বিজেন্দ্রের চাষাকৃত জমিতে প্রভাবশালীরা দো-গাছি (ধানের চারা) রোপন করতে গেলে বাধা প্রদান করে। এক পর্যায়ে উৎ পেতে থাকা সন্ত্রাসীরা হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে অতর্কিত হামলা চালিয়ে ৩ জনকে কুপিয়ে জখম করে।

ঘটনাটির বিষয়টি জানতে অভিযুক্তদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা বিষয়টি অস্বীকার করে। এ বিষয়ে কাউন্সিলর রনজিত কুমার রায় বলেন, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এরা এ হামলা চালিয়েছে। 

জলঢাকা থানার অফিসার ইনচার্জ মোস্তাফিজার রহমান জানান, ঘটনা জানতে পেরে তাৎক্ষনিক ফোর্স পাঠিয়ে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি পূর্বে জানা থাকলে এমন ঘটনা হয়ত হতো না।

বিডি