eibela24.com
বুধবার, ১৯, সেপ্টেম্বর, ২০১৮
 

 
কিডনি ইনফেকশন রোধে করণীয়
আপডেট: ১০:১৫ am ০৫-০৭-২০১৮
 
 


কিডনি ইনফেকশন মানবদেহের মারাত্মক রোগগুলোর মধ্যে একটি। কিডনি ইনফেকশন ধরনের সমস্যা মূলত নীরব ঘাতক হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। কারণ খুব সমস্যা না হওয়া পর্যন্ত কিডনি ইনফেকশনের সমস্যা ঠিকমতো বুঝে ওঠা যায় না। যে কারণে চিকিৎসা পিছিয়ে পড়ে অনেকাংশেই। এতে করে রোগীর মৃত্যুর আশঙ্কা বাড়তে থাকে। তাই জেনে রাখা ভালো কিডনি ইনফেকশনের লক্ষণগুলো, যাতে চিকিৎসায় দেরি না হয়।

কিডনি ইনফেকশনের লক্ষণ 
-অতিরিক্ত তাপমাত্রায় জ্বর হওয়া।
-জ্বরের সঙ্গে নিয়ন্ত্রণবিহীন কাঁপুনি হওয়া।
-বমি ভাব, বমি হওয়া।
-ডায়রিয়া, ক্ষুধামন্দা ভাব আসা।
-অতিরিক্ত দুর্বলতা অনুভূত হওয়া।
-পিঠের নিচের অংশের একদিকে ও কুঁচকিতে ব্যথা হওয়া।
-ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া, প্রস্রাবের সময় জ্বলানি ও জ্বালাপোড়া করা, ঘোলাটে ধরনের প্রস্রাব হওয়া, প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়া। 
কিডনি ভালো রাখার উপায়
ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের নিয়মিত রক্তের শর্করা এবং প্রস্রাবের অ্যালবুমিন পরীক্ষা করা ও রক্তের হিমোগ্লোবিন এওয়ানসি  নিয়ন্ত্রণে রাখা। উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত রোগীদের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা। (১৩০/৮০-এর নিচে যাদের প্রস্রাবে অ্যালবুমিন থাকে, তাদের ১২০/৭০-এর নিচে)। ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত রোগীদের কিডনির কার্যকারিতা প্রতি ৬ মাস অন্তর পরীক্ষা করা। শিশুদের গলা ব্যথা, জ্বর ও ত্বকে খোস-পাঁচড়ার দ্রুত সঠিক চিকিৎসা করা উচিত। কারণ এগুলো থেকে কিডনি প্রদাহ বা নেফ্রাইটিস রোগ দেখা দিতে পারে। ডায়রিয়া, বমি ও রক্ত আমাশয়ের কারণে রক্ত পড়ে ও লবণশূন্য হয়ে কিডনি বিকল হতে পারে। তাই দ্রুত খাবার স্যালাইন খেতে হবে। প্রয়োজনে শিরায় স্যালাইন দিতে হবে। চর্বি জাতীয় খাবার ও লবণ কম খাওয়া এবং পরিমিত পানি পান করা। চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতীত অ্যান্টিবায়োটিক ও তীব্র ব্যথানাশক ওষুধ সেবন না করা। প্রস্রাবের ঘন ঘন ইনফেকশনের জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নেওয়া। 

মাত্র দুটি পরীক্ষায় জানা যায় কিডনি রোগ আছে কিনা এবং একটি সহজ সমীকরণে বের করা যায়, কিডনি শতভাগের কত ভাগ কাজ করছে। একটি হলো- প্রস্রাবে অ্যালবুমিন বা মাইক্রো অ্যালবুমিন যায় কিনা এবং অন্যটি রক্তের ক্রিয়েটিনিন।

নি এম/