eibela24.com
রবিবার, ২৩, সেপ্টেম্বর, ২০১৮
 

 
ঠাকুরগাঁওয়ে শ্মশানে সৎকারে বাঁধা: সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে হামলাসহ হুমকি 
আপডেট: ১০:৫৬ am ১১-০৭-২০১৮
 
 


ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার গেদুরা ইউনিয়নের হাটপুকুর গ্রামে শ্মশানঘাটে লাশ সৎকারে বাধাসহ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে হামলাসহ বিভিন্ন হুমকি দিয়ে শ্মশানের অধিকাংশ জমি গ্রাস করে ফেলায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

এ ঘটনায় সৎকারে বাঁধা দেওয়ার অপরাধে আবু হুর নামে এক ব্যক্তিকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃত আবুহুর হরিপুর উপজেলার হাটপুকুর গ্রামের মৃত আব্দুল মোতালেবের ছেলে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, জেলার হরিপুর উপজেলার গেদুরা ইউনিয়নের রাজাদীঘি গ্রামের বিলখা বর্মন গত রবিবার রাতে মারা যায়। পরিবারের লোকজন সোমবার দুপুর ১ টায় তার লাশ নিয়ে সৎকারের জন্য নিয়ে যায় হাটপুকুর শ্মশানঘাটে। এ সময় আবু হুর নামে এক ব্যক্তি ওই শ্মশানঘাটে লাশ সৎকারে বাঁধা দেয়। এমনকি মৃতদেহ সৎকারের যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করার পরও মৃতদেহটি নিয়ে টাঁনা হেছড়া করে। লাশ কবরে নামানোর পরে আবার তুলতে বাধ্য করে। এসময় লাশের লোকজন ও আবু হুরের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষে রমেত ও সমেত আহত হয়।

হরিপুর থানা পুলিশ ঘটনা স্থলে এসে মোতালেব হোসেনের ছেলে আবু হুরকে তাৎক্ষনিক গ্রেফতার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। 

হাটপুকুর শ্মশানঘাটের সাধারণ সম্পাদক বিদেশী রায় জানান, এই শ্মশানঘাটে মোট ২.২৭ একর জমি ছিল। আমাদের বাপ-দাদারা আমাদের জন্মের পূর্ব থেকে এখানেই লাশ সৎকার করে আসছে। গত ২/৩ বছর থেকে এই ভূমিদস্যুরা আমাদের উপর হামলাসহ বিভিন্ন হুমকি দিয়ে অধিকাংশ জমি গ্রাস করে ফেলেছে। 

এদিকে এ বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসার এম জে আরিফ বেগকে জানানো হলে তিনি পুলিশ ও গ্রাম পুলিশ পাঠায় উদ্ভুদ্ধ ঘটনাটি নিয়ন্ত্রনের জন্য। মৃতের লোকজন পুলিশের উপস্থিতিতে লাশ সৎকারের কাজ শুরু করলে আবু হুর ও তার লোকজন আবারো সৎকারে বাঁধা দেয়। এতে উভয়পক্ষের মাঝে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। সংঘর্ষে মৃত ব্যক্তির দুই ছেলে রমেশ, সমেশ গুরুতরভাবে আহত হয়। 

হরিপুর থানার ওসি রুহুল কুদ্দুস জানান, খবর পেয়ে পুলিশ লাশ সৎকারে বাঁধাদান কারী আবুহুরকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। সৎকারে বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এম জে আরিফ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

নি এম/