eibela24.com
বুধবার, ২১, নভেম্বর, ২০১৮
 

 
ভল্টে সোনার অনিয়মের অভিযোগ পুরোপুরি সঠিক নয়: অর্থ প্রতিমন্ত্রী
আপডেট: ০৪:০০ pm ১৮-০৭-২০১৮
 
 


বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বর্ণে অনিয়মের যে অভিযোগ উঠেছে সেটা পুরোপুরি সঠিক নয় বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান। তবে পর্যালোচনা করে কারো বিরুদ্ধে গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান। 

বুধবার (১৮ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এবং রাজস্ব বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন অর্থ প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা বিষয়টি পর্যালোচনা করছি। আরও পর্যালোচনা করে দেখব। যদি কারও কোনো গাফিলতি থাকে তাহলে নিশ্চই তার ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগের দেয়া স্বর্ণ জমা রাখার সময় ৪০ শতাংশই ছিল। কিন্তু ইংরেজি-বাংলার হেরফেরে সেটা ৮০ শতাংশ লিখে ভুলবশত নথিভুক্ত করা হয়েছিল। ৮০ এবং ৪০-এ ক্লারিক্যাল মিস্টেক হয়েছে। তিনি বলেন, ছয় স্তরের নিরাপত্তা আছে, কোনো স্বর্ণ বাইরে যায় নাই। জনগণের সম্পদ রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর। তাই টোটাল নিরাপত্তা সিস্টেমটা পর্যালোচনা করে ঢেলে সাজানো হবে। এ ক্ষেত্রে অন্য কোনো সংস্থা দিয়ে পর্যবেক্ষণ করা যেতে পারে।

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বিদেশে অবস্থান করায় প্রতিমন্ত্রী বুধবার জরুরি এই বৈঠক ডাকেন। বৈঠকে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. ইউনুসুর রহমান, শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শহিদুল ইসলাম, এনবিআরের সদস্য কালিপদ হালদারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), শুল্ক গোয়েন্দা ও বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তাদের নিয়ে সকাল সাড়ে ১০টায় বৈঠকে বসেন অর্থ প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান।

উল্লেখ্য, শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতরের প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে একটি জাতীয় দৈনিতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, দৈবচয়ন ভিত্তিতে নির্বাচন করা বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টে রক্ষিত ৯৬৩ কেজি সোনা পরীক্ষা করে বেশিরভাগের ক্ষেত্রে অনিয়ম ধরা পড়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সোনা পরিণত হয়েছে সংকর বা মিশ্র ধাতুতে, কোনো কোনো ক্ষেত্রে ২২ ক্যারেট সোনা হয়ে গেছে ১৮ ক্যারেট।

পরে ওই প্রতিবেদন প্রসঙ্গে ব্যাখ্যা দিতে মঙ্গলবার (১৭ জুলাই) এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ব্যাংক দাবি করে, ব্যাংকের ভল্টে রাখা সোনার পরিমাণে তারতম্য হওয়ার যে খবর প্রকাশিত হয়েছে তা সত্য নয়। কিছু ‘ক্ল্যারিক্যাল মিসটেকে’র কারণে কিছু জটিলতা তৈরি হয়েছে।

নি এম/