eibela24.com
বুধবার, ২৬, সেপ্টেম্বর, ২০১৮
 

 
নর্থ সাউথ শিক্ষার্থী হত্যায় সুপারভাইজারের চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি
আপডেট: ১০:২৭ am ২৬-০৭-২০১৮
 
 


নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সাইদুর রহমান পায়েলকে কিভাবে হত্যা করা হয়েছে সে বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন হানিফ পরিবহনের সুপারভাইজার মো. জনি (৩৮)। আঁতকে উঠার মতো বর্ণণা দিয়েছেন জনি। এই হত্যাকান্ডে জনি ছাড়াও চালক জামাল হোসেন ও সহকারী ফয়সাল জড়িত। 

বাসের চালক, সহকারী ও সুপারভাইজার তিনজনকেই গ্রেফতার করেছে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া থানা পুলিশ। 

হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে বুধবার আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন সুপারভাইজার জনি।
মুন্সীগঞ্জের ৫ নম্বর আমলী আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট জসিম উদ্দিনের খাস কামরায় তিনি জবানবন্দি দেন।

পুলিশ ও  এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের গজারিয়ার ভাটেরচরের কাছে যানজট সৃষ্টি হয়। এই সময় পায়েল প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বাস থেকে নামে। এর মধ্যেই জ্যাম ছুটে যায় এবং গাড়ি চলতে শুরু করে। পায়েল গাড়ির পেছন পেছন দৌঁড়াতে থাকে। পরে গাড়িও থামায়। গেটের সামনে থাকা পায়েল অটো গেট খুলতেই ধাক্কা খেয়ে রাস্তায় পড়ে যায়। এতে পায়েলের মুখে ও নাকে আঘাত লেগে রক্ত ঝড়তে থাকে। অজ্ঞান হয়ে যায় পায়েল। সুপারভাইজার চালককে ঘটনা জানায়। পরে চালক, সহকারী ও জনি তিনজনে পরামর্শ করে পায়েলকে গাড়িতে না তুলে চেংদোলা করে নিয়ে সামান্য দূরের ভাটেরচর ব্রিজের ওপর থেকে খালে ফেলে দেয়। তখন ভোর প্রায় সাড়ে ৪টা। যাত্রীরা সবাই তখন ঘুমে।   

ওসি জানান, পায়েল জীবিত ছিল। এর স্পষ্ট প্রমাণ হচ্ছে- পায়েল মৃত্যুর আগে ১০ থেকে ১৫ কেজি পানি খেতে খেতে ডুবে যায়। তার পেটে পানি ছিল। ময়না তদন্ত এবং সুরহতাল রিপোর্টেও তা উল্লেখ রয়েছে। এর আগে জনিকে মঙ্গলবার ঢাকা থেকে আটক করে গজারিয়া থানা পুলিশ। পরে সে পুলিশের কাছে সব স্বীকার করে।

নি এম/