eibela24.com
সোমবার, ১৯, নভেম্বর, ২০১৮
 

 
আজ মঙ্গলবার, হনুমানজির পুজার দিন
আপডেট: ০৫:৫৭ pm ৩১-০৭-২০১৮
 
 


মঙ্গলবার, হনুমানজির পুজার দিন৷ শাস্ত্র মতে, এই দিন স্নান সেরে লাল পট্ট বস্ত্র পরে, লাল ফুল দিয়ে হনুমানজিকে সাজিয়ে, ২১ ধরের মিষ্টি দিয়ে নৈবেদ্য দিয়ে হনুমান চল্লিশা পাঠ করলে তিনি সন্তুষ্ট হন৷ প্রতি সপ্তাহের মঙ্গলবারে এমনটা করতে পারলে জীবনের সমস্ত বাধা বিপত্তি অতিক্রম করা যায়৷ কিন্তু আপনি কী জানেন, কে প্রথম শুরু করেছিল এই পুজোর প্রচলন?

কথিত আছে, প্রতি মঙ্গলবারে এই উপোস শুরু করেছিলেন নন্দা সন্ন্যাসীর স্ত্রী সুনন্দা৷ মঙ্গলবার না খেয়ে হনুমানজির আরাধনা করতেন তিনি৷ এভাবে বেশ ভালই চলছিল৷ একদিন হঠাৎই অনেক কাজের মধ্যে মঙ্গলবারের কথা ভুলে গেলেন সুনন্দা৷ যখন মনে পড়ল তখন দিন প্রায় শেষ হয়ে এসেছে৷ অনুশোচনায় যেন মাটিতে মিশে যেতে লাগলেন ঋষি পত্নী৷ স্থির করলেন, পরের মঙ্গলবার পর্যন্ত উপবাসে থাকবেন তিনি৷ এই বলে উপবাস শুরু করলেন তিনি৷ সুনন্দার এই একনিষ্ঠতায় প্রসন্ন হলেন হনুমানজি৷ তিনি দেখা দিয়ে বরদান করলেন সুনন্দাকে ৷

বললেন, সুনন্দার এমন কন্যাসন্তান জন্ম নেবে যার শরীর দিয়ে প্রতিদিন স্বর্ণ অলঙ্কার বেরিয়ে আসবে৷ সেই কথা মতো এর কয়েক মাস পরেই একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দিলেন সুনন্দা৷ তার গা থেকে রোজই সোনার গয়না বেরতে শুরু করল ৷

এদিকে প্রতিদিন সোনার গয়না পেতে পেতে চরম লোভী হয়ে উঠলেন সুনন্দা৷ লোভ দিন দিন বেড়েই যেতে লাগল৷ তিনি ঠিক করলেন কোনওদিন মেয়ের বিয়ে দেবেন না৷ কিন্তু এর মধ্যেই সোমেশ্বর নামে এক ভাল পাত্র পেয়ে কন্যাকে পাত্রস্থ করে দিলেন সন্ন্যাসী নন্দা৷ এদিকে সোনার লোভে পাগল হয়ে উঠলেন স্বর্ণলতার মা সুনন্দা৷ জামাইকে হত্যা করেন তিনি ৷ শোকে পাথর হয়ে নাওয়া-খাওয়া ছেড়ে স্বর্ণলতা ঠাকুরঘরে দোর দেন৷ শেষ পর্যন্ত তাঁর কাতর ডাকে সাড়া দেন মঙ্গলদেব৷ কথা দেন দু’টি বর দেবেন তিনি৷ স্বর্ণলতা তখন একটি বরে তাঁর স্বামীর জীবন প্রার্থনা করেন৷ অন্য একটি বরে মঙ্গলদেব বলেন, যে কেউ মঙ্গলবারে পুজো করলে তাঁর জীবন আনন্দে ভরে উঠবে এবং সমস্ত চাহিদা পূর্ণ হবে৷

নি এম/