eibela24.com
বৃহস্পতিবার, ১৫, নভেম্বর, ২০১৮
 

 
পাকিস্তানে একরাতে পোড়ানো হল মেয়েদের ১২ স্কুল
আপডেট: ১১:০৩ am ০৪-০৮-২০১৮
 
 


পাকিস্তানের গিলগিট–বালতিস্তানের দিয়ামার জেলায় বৃহস্পতিবার গভীর রাতে মেয়েদের ১২টি স্কুল পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ছাত্র-ছাত্রীদের বই খাতা স্কুলের বাইরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে। অজ্ঞাতনামা হামলাকারীরা আগুন লাগিয়ে পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা ও পুলিশ এ খবর জানায়।

কে বা কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তা জানা যায়নি৷ কোনও জঙ্গি সংগঠন এখনও দায় স্বীকার করেনি৷ ঘটনাটি ঘটেছে সন্ত্রাসবাদী অধ্যুষিত এলাকায়। এই এলাকায় মেয়েদের স্কুলে পাঠানো নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছিল অভিভাবকদের।

স্কুলগুলোর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, ছাত্রীদের কোন রকম সুরক্ষার ব্যবস্থা করা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। এ কারণেই স্কুলগুলোতে আগুন লাগান ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা। স্কুল পোড়াতে ব্যবহৃত হয় বিস্ফোরকও। অনেকেই মনে করছেন, এই স্কুল পোড়ানোর পিছনে মৌলবাদীদের হাত রয়েছে। কারণ এই স্কুল পোড়ানোর পরেই আবার স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ পথ অবরোধ করে ও বিক্ষোভ দেখায়। ভাঙচুরও করা হয়।

স্থানীয় পুলিশ প্রধান রায় আজমল জানান, ঘটনার তদন্ত চলছে৷ বেশিরভাগ স্কুল ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত৷ সেখানে এখনই পড়া-শোনা শুরু করা সম্ভব নয়৷ রাতে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছিল বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন।

পুড়ে যাওয়া ১২টি স্কুল প্রাথমিক শিক্ষাকেন্দ্র। গিলগিট-বালতিস্তানের শিক্ষার হার এমনিতেই খুব কম৷ সেই কারণে বিদ্যালয়গুলো চালু হয়েছিল। পুড়ে যাওয়া ১২টি স্কুলে বেশিরভাগ পড়ুয়া হল স্থানীয় কিশোরীরা। নারীদের মধ্যে শিক্ষার হার ছড়িয়ে পড়া রুখতেই এই ঘটনা্ ঘটিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নি এম/

পাকিস্তানের গিলগিট–বালতিস্তানের দিয়ামার জেলায় বৃহস্পতিবার গভীর রাতে মেয়েদের ১২টি স্কুল পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ছাত্র-ছাত্রীদের বই খাতা স্কুলের বাইরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে। অজ্ঞাতনামা হামলাকারীরা আগুন লাগিয়ে পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা ও পুলিশ এ খবর জানায়।

কে বা কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তা জানা যায়নি৷ কোনও জঙ্গি সংগঠন এখনও দায় স্বীকার করেনি৷ ঘটনাটি ঘটেছে সন্ত্রাসবাদী অধ্যুষিত এলাকায়। এই এলাকায় মেয়েদের স্কুলে পাঠানো নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছিল অভিভাবকদের।

স্কুলগুলোর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, ছাত্রীদের কোন রকম সুরক্ষার ব্যবস্থা করা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। এ কারণেই স্কুলগুলোতে আগুন লাগান ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা। স্কুল পোড়াতে ব্যবহৃত হয় বিস্ফোরকও। অনেকেই মনে করছেন, এই স্কুল পোড়ানোর পিছনে মৌলবাদীদের হাত রয়েছে। কারণ এই স্কুল পোড়ানোর পরেই আবার স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ পথ অবরোধ করে ও বিক্ষোভ দেখায়। ভাঙচুরও করা হয়।

স্থানীয় পুলিশ প্রধান রায় আজমল জানান, ঘটনার তদন্ত চলছে৷ বেশিরভাগ স্কুল ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত৷ সেখানে এখনই পড়া-শোনা শুরু করা সম্ভব নয়৷ রাতে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছিল বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন।

পুড়ে যাওয়া ১২টি স্কুল প্রাথমিক শিক্ষাকেন্দ্র। গিলগিট-বালতিস্তানের শিক্ষার হার এমনিতেই খুব কম৷ সেই কারণে বিদ্যালয়গুলো চালু হয়েছিল। পুড়ে যাওয়া ১২টি স্কুলে বেশিরভাগ পড়ুয়া হল স্থানীয় কিশোরীরা। নারীদের মধ্যে শিক্ষার হার ছড়িয়ে পড়া রুখতেই এই ঘটনা্ ঘটিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নি এম/