eibela24.com
বৃহস্পতিবার, ২২, নভেম্বর, ২০১৮
 

 
রাঙ্গামাটিতে স্বপরিবারে উচ্ছেদ করা হলো বীর মুক্তিযোদ্ধা অনিল সেনকে
আপডেট: ০৩:০২ pm ১০-০৮-২০১৮
 
 


বিনা নোটিশে রাঙ্গামাটির ঘাগড়া বাজারে বীর মুক্তিযোদ্ধা অনিল সেনের বাড়ি ঘর ঘুড়িয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে মুক্তিযোদ্ধা অনিল ও তার পরিবার এবং স্হানীয় এলাকাবাসী।

গত ৮ আগষ্ট বুধবার বিরোধকৃত সরকারী খাস জায়গায় কোন প্রকার নোটিশ ছাড়াই আদালতের আদেশে উচ্ছেদ করে অনিল সেনের সেমি পাকা ঘর ঘুড়িয়ে দিয়েছে প্রসাশনের লোকজন।  এমনকি এক ঘন্টাও সময় না দিয়ে নিজের ঘরবাড়ি ভেঙে স্বপরিবারে উচ্ছেদ করা হলো বীর মুক্তিযোদ্ধা অনিল সেনকে। 

প্রশাসন কতৃক চরম এই অমানবিক কাজটি ঘটেছে রাঙ্গামাটি জেলার কাউখালি উপজেলার ঘাগরা এলাকায়।

বাড়ীর সমস্ত মালামাল ঠাকুর ঘর সহ সমস্ত জিনিষপত্র ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া হয়েছে রাস্তায়। বাড়ীর টিনের চাল কেটে বাড়ীর ওয়াল ফেলে দিয়েছে।

শুধু তাই নয়, একজন মুক্তিযোদ্ধার সবচাইতে সম্মানের অর্জন সেই মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট এবং স্বারককে চরম অবমাননা করে জুতার পাশে ফেলে দেওয়া হয়েছে। অনিল বাবু সহ আশেপাশের উপস্থিত স্থানীয় অনেকে প্রতিবাদ এবং বাধা দিতে গেলে তাদের ১৪৪ ধারার ভয় এবং হুমকি দেখিয়ে চুপ থাকতে বাধ্য করা হয়। এমনকি ভিডিও করার সময় মোবাইল পর্যন্ত কেড়ে নেওয়া হয়। এঘটনার পর অনিল সেনের স্ত্রী হৃদযন্ত্র বন্ধ হয়ে রাঙ্গামাটি সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে জানান স্হানীয় বাসিন্দারা।

স্হানীয় বাসিন্দারা বলেন, একজন মুক্তিযোদ্ধার যদি এই পরিণতি হয় তাও প্রশাসন দ্বারা, বাংলাদেশে এর চাইতে দূঃখের এবং লজ্জার আর কি আছে?

অসুস্থ অনিল সেন বলেন, আমি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা হয়ে র্দীঘ বছর ধরে ঘাগড়া এলাকায় বসবাস করে আসছি।
১৯৯৬ সালে প্রয়াত হেডম্যান স্নেহ কুমার দেওয়ানের সুপারিশে ১৫ শতক জমি রাঙ্গামাটি জেলাপ্রশাসক বরাবরে বন্দেবস্তি পাওয়ার আবেদন করি। এরপর বিশ্বজিৎ চাকমার সাথে আবুল কালাম গং এর সাথে একটি মামলা দায়ের হয়। মামলার আলোকে বিঙ্গ আদালত ১৯/১১/১৯৯৭ সালে সরোজমিনে তদন্ত পূর্বক পিয়েদনে উল্লেখ করেন, কাউখালী থানাধীন ৯৯নং ঘাগড়া মৌজার বিরোধীয় ১৬৩/ক নং খতিয়ারে সরোজমিনে তদন্ত ও পরিমাপ করা হয়। পরিমাপ ক্রমে দেখা যায়
বাদীর ১৬৩/ক নং খতিয়ারের ১৫৪৯ নং দাগের অংশ প্রায় ৪ একর জমির উপর ১নং বিবাধী আব্দুল কালাম পিতা আব্দুল মজিদ দুইখানা বসত বাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করছে।

নি এম/