eibela24.com
বুধবার, ১৯, সেপ্টেম্বর, ২০১৮
 

 
রক্তে সুগার কমায় ‘নিম’
আপডেট: ০৩:৪২ pm ১১-০৮-২০১৮
 
 


ব্লাড সুগার একটি অত্যন্ত জটিল রোগ। কিন্তু নিয়মের মধ্যে জীবনযাপন করলে খুব সহজেই একে বশে রাখা যায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী বিশ্বজুড়ে প্রতি বছর ডায়েবেটিসে মৃত্যু বরন করেন প্রায় ১৬ লাখ মানুষ। সংস্থাটির দাবি, ২০৩০ সালের মধ্যে ব্লাড সুগার বা ডায়েবিটিসই পৃথিবীতে মানুষের মৃত্যু কারণে চলে আসবে সপ্তম স্থানে।

রক্তে শর্কার পরিমাণ বেড়ে গেলে শরীরে মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। হাই ব্লাড সুগারের রোগীদের অনেকেরই চোখ, পা, কিডনি, নার্ভের ব্যাপক ক্ষতি এমনকি হার্ট অ্যাটাক হওয়ার আশঙ্কা থাকে অনেক বেশি। ডায়েবিটিক রোগীদের সঠিক ডায়েট জরুরি। এছাড়া ওষুধ, ইনসুলিন বা ব্যায়ামের পাশাপাশি এই রোগী কিছু প্রাকৃতিক নিয়ম মেনে চললে নিয়ন্ত্রনে রাখতে পারবে ব্লাড সুগার।

তবে, যাদের ডায়েবেটিস দেখা দেয় তারা শুরুতে নিম ব্যবহার করতে পারেন। আসুন জেনে নেই সুগার কন্ট্রোলে কীভাবে নিমপাতা ব্যবহার করবেন। নিমের ফুল, ফল, পাতা, বীজ, কাণ্ড সব কিছুই কাজে লাগানো যায়। এছাড়া যে কোন চর্মরোগেও নিম উপকারী।  

নিমপাতা বাটা: ইন্ডিয়ান জার্নাল অফ ফিজিওলজি অ্যান্ড ফার্মাকোলজির সামপ্রতিক গবেষণাপত্র বলছে, নিমপাতা থেকে দারুণ উপকার পেতে পারেন ব্লাড সুগারের রোগীরা। এক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকরী নিমপাতার গুঁড়ো। এছাড়াও নিমপাতা ভেজানো পানি বা কাঁচা নিমপাতা চিবিয়ে খেলেও দারুণ কাজে লাগবে। তবে বেশি খেলে উল্টো ফল পেতে দেরি হবে না। নিমপাতা অ্যান্টি-ডায়েবিটিকের কাজ করে।

কীভাবে খাবেন:
১. এক লিটার পানিতে ২০টি নিমপাতা পাঁচ মিনিট ধরে ফুটিয়ে নিন।
২. পাতাগুলি নরম হয়ে আসবে। জলের রং বদলে গাঢ় সবুজ হতে শুরু করবে।
৩. ছেঁকে সেই পানি বোতলে ভরে নিন। এই শরবতটাই দিনে দু'বার খান।

নি এম/