eibela24.com
সোমবার, ১৭, জুন, ২০১৯
 

 
গ্যাস সংকটে সিলেট বাসীর শেষ ভরসা প্রধানমন্ত্রী 
আপডেট: ০৪:৩৯ pm ১৪-০২-২০১৯
 
 


সিলেটের গ্যাস আজ সমগ্র বাংলাদেশে। জ্বালানি খাতে বিশেষ ভুমিকা পালন করছে সিলেট। কিন্তু পরিতাপের বিষয় আওয়ামী লীগ সরকার এই নিয়ে তৃতীয়বার সরকার গঠন করলেও সিলেটের জনগণের চাওয়া পাওয়া মেঠাতে পারেনি। কারন সিলেটবাসীর ঘরে আজ জ্বালানি ক্ষেত্রে গ্যাস’র অভাব। নিজের বাড়ির গ্যাস নিজেরা না পেয়ে অসহায়ত্ব বরন করছেন। নিজের খনিজ সম্পদ সারাদেশে ছড়িয়ে ছিঠিয়ে রয়েছে। রহস্যজনক কারনে সিলেটের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরাও এনিয়ে জাতীয় সংসদে মূখ খুলতে রাজি নয়। অথচ ভোট আসলে সেই হতভাগা ভোটারদের ধারে ধারে গিয়ে হাঁত পেতে ভোট ভিক্ষাচান সেই লেবাসধারি মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও এমপিরা। এর চেয়ে লজ্জার আর কি হতে পারে। ইদানিং সিলেটের জনগণ হাঁঠুগেরে মাটে নেমেছেন গ্যাস সংযোগ দেওয়ার দাবিতে। কখনও মানববন্ধন আবার কখনও লিফলেট বিতরণ ফের সিলেট জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর নিকঠ গ্যাস সংযোগের জন্য স্মারকলিপি প্রেরণ। চেষ্টায় কোন ত্রুটি রাখছেন না সিলেটের সর্বমহল। এতকিছুর পর টনক নড়ছেনা সরকারের। 

বাংলাদেশের প্রথম গ্যাসক’প হলো জৈন্তাপুর উপজেলার (৭নং- গ্যাসক’প) হরিপুর এলাকায়। সেখানেও দেখা যায় একই হাহাকার। চারদিকে শুধু গ্যাসের সংকট। সিলেট শহড় এলাকায় কিছুটা গ্যাস সংকট কম থাকলেও উপজেলাগুলো একেবারে ফাঁকা। প্রচুর গ্যাস থাকা সত্তেও সংকটের রহস্য খুঁজে বের করা বড়ই কঠিন। এনিয়ে জনগণের মধ্যে তীব্র সমালোচনা-আলোচনার ঝড় বইছে। ক্ষোভ বাড়ছে তাদের মধ্যে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগ সরকারের দিকে তাদের সন্দেহের তীর। “তাদের মনে প্রশ্ন, জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’র কণ্যা দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সূ-কৌশলী নেত্রী হওয়ারপরও কেন সিলেটের পূণ্যভুমির লোকেরা গ্যাস পাওনা হতে বঞ্চিত।” সারাদেশে উন্নয়নের জোয়ার বইছে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কিন্তু সিলেটের এই জাতীয় ইস্যুটি বন্ধ রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর হাঁতের দিকে তাকিয়ে সিলেটের জনগণ আদৌ পর্য্যন্ত কঠোর আন্দোলনে কোন ডাক দিচ্ছেন না। তবে আজ না হয় কাল তার খেশারত গুণতে হবে সরকারকে। এমনটি আভাস পাওয়া যাচ্ছে সিলেটের প্রতিটি নাগরীকের চোঁখে মূখে।

এদিকে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে- সিলেটের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও এমপিদের উপর আর বিশ্বাস রাখতে পারছেননা তারা। বিগত এগারো বছরের মধ্যে সিলেটে গ্যাস সংকট নিরসনে তারা কোন চেষ্টা করেননি। তাই তাদের শেষ ভরসাস্থল এখন প্রধানমন্ত্রীর উপরে। এতে যদি সিলেটবাসী বিতারিত হন তাহলে তারা কঠোর আন্দোলনে যাবেন।

এছাড়াও সূত্রটি জানায়, সিলেট জেলা-মহানগরের সরকারদলীয় নেতাকর্মীরাও এই দৈন্যদশায় লিপ্ত রয়েছেন। তারা প্রতিবাদমূখর হলে আজ সিলেটবাসী গ্যাস সংকটে পড়তোনা। হাতেগুনা ক’জন নেতাকর্মী প্রতিবাদি থাকলেও দলীয় শৃংখলার ভয়ে তারাও নিশ্চুপ। তাদের মনে ভয় শুধু দলীয় কোন্দলের মারপ্যাচে পড়ে শেষ পর্য্যন্ত না হয় পদটি হারাবেন! সেই সৎসাহসও আজ তারা হারিয়ে ফেলেছেন। নেত্রীর নিকঠ জনস্বার্থে কথা বলার লেখা ও বলা’র ভাষা আজ তাদের নেই। এখন সিলেটবাসীর শেষ ভরসা হচ্ছেন একমাত্র প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

নি এম/অরুন