eibela24.com
রবিবার, ১৯, মে, ২০১৯
 

 
কথাসাহিত্যিক ও শিল্পী কমলকুমার মজুমদারের ১০২তম জন্মবার্ষিকী আজ
আপডেট: ০১:২২ pm ১৬-১১-২০১৬
 
 


প্রতাপ চন্দ্র সাহা ||

কথাসাহিত্যিক ও শিল্পী কমলকুমার মজুমদার (জন্মঃ- ১৬ নভেম্বর, ১৯১৪ - মৃত্যুঃ- ৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৯) (সংসদ বাঙালি চরিতাভিধান অনুযায়ী)

১৯৬৯ সালে তাঁর প্রথম গ্রন্থ 'অন্তর্জলি যাত্রা' প্রকাশিত হয়। ১৯৭০ সালে তাঁর দ্বিতীয় গ্রন্থ 'নিম অন্নপূর্ণা' প্রকাশিত হয়। তাঁর প্রধান গল্পগুলি হল নিম অন্নপূর্ণা, শ্যামনৌকা, গোলাপ সুন্দরী, মতিলাল পাদরী, তাহাদের কথা, প্রভৃতি। পিঞ্জরে বসিয়া শুক, খেলার প্রতিভা, অন্তজর্লী যাত্রা, সুহাসিনীর পমেটম, অনিলা স্মরণে ইত্যাদি তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাস। দানসা ফকির তাঁর রচিত নাট্যগ্রন্থ। তিনি বিচিত্র বিষয় নিয়ে কাজ করেছেন। তিনি প্রধানত লিখতেন এক্ষণ, কৃত্তিবাস প্রভৃতি পত্রিকায়। বাংলার সাবেকি লোকশিল্প, কুটিরশিল্প, ধাতুশিল্প ও দারুশিল্প এবং মঠ ও মন্দির বিষয়ক বিভিন্ন দিকে তাঁর অধিকার ছিল। তাঁর ছড়ার সঙ্কলন ‘আইকম বাইকম’ ও ‘পানকৌড়ি’। ছড়ার বইয়ে নিজেই চিত্রাঙ্কন ও অলঙ্করণ করেছিলান। সাউথ পয়েন্ট স্কুলে শিল্পকলা বিষয়ক শিক্ষক ছিলেন। শেষের দিকে বস্তির ছেলেমেয়েদের নাটক অভিনয় শেখাতেন।

তাকে বলা হয় 'লেখকদের লেখক'। তাঁর উপন্যাস ‘অন্তর্জলী যাত্রা’ এর অনন্যপূর্ব আখ্যানভাগ ও ভাষাশৈলীর জন্য প্রসিদ্ধ। বাঙলা কথাসাহিত্য বিশেষ করে উপন্যাস ইয়োরোপীয় উপন্যাসের আদলে গড়ে উঠছিল, কমলকুমার মজুমদার সেই পথ ত্যাগ করেছিলেন। তিনি ছিলেন বাংলা সাহিত্যের দুরূহতম লেখকদের একজন। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বিখ্যাত ছিলেন।

তিনি উত্তর চব্বিশ পরগনার জেলার, টাকি শহরে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা-প্রফুল্লকুমার মজুমদার এবং মাতা- রেণুকাদেবী। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বিভিন্ন স্থানে কর্মরত ছিলেন। উল্লেখযোগ্য ভাবে, বাংলা সরকারের জনগণনা বিভাগ, গ্রামীন শিল্প ও কারুশিল্প, ললিতকলা একাডেমি এবং সাউথ পয়েন্ট স্কুলে। এছাড়াও তিনি ছবি, নাটক, কাঠের কাজ, ছোটদের আঁকা শেখানো, ব্যালেনৃত্যের পরিকল্পনা, চিত্রনাট্য রচনা করেন। বিভিন্ন পত্রিকায় তাঁর লেখা সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়।

মৃত্যু
তিনি ৯ই ফেব্রুয়ারি ১৯৭৯ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।

 

 

এইবেলাডটকম/প্রচ