eibela24.com
শনিবার, ২০, অক্টোবর, ২০১৮
 

 
অনিয়মের বেড়াজালে অগ্রণী ব্যাংক
আপডেট: ১০:৪৬ am ২০-১২-২০১৬
 
 


ঢাকা : দুর্দশার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন অগ্রণী ব্যাংক। সাধারণ আমানতকারীদের অর্থ নষ্ট করেছে ব্যাংকটি।

মূলধন যোগান দিয়েও উন্নত করা যাচ্ছে না অগ্রণীসহ সরকারি ব্যাংকগুলোর অবস্থা। এজন্য ঋণ বিতরণে অনিয়মকে দুষছেন বিশেষজ্ঞরা।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, গেলো দু’বছরে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন চার ব্যাংকে প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকার মূলধন দেয়া হয়েছে। তারপরও সংকট কাটছে না। পাশাপাশি বাড়ছে খেলাপি ঋণ, বাড়ছে লোকসানি শাখাও।

সামগ্রিকভাবেই বিভিন্ন আর্থিক সূচকে সংকটজনক পর্যায়ে আছে সরকারি ব্যাংকগুলো। এর ব্যতিক্রম নয়, অগ্রণী ব্যাংকও। জাতীয় সংসদের অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির তদন্ত বলছে, একশ কোটি টাকার ওপরে অগ্রণী ব্যাংকে খেলাপি ১৫টি প্রতিষ্ঠানের কাছে পাওনা দু’হাজার সাতশ ৯১ কোটি টাকা। এমনকি নিয়ম লঙ্ঘন করে পাঁচশ ৩২ কোটি টাকা ঋণ দেয়া হয়েছে নয় প্রতিষ্ঠানকে। তদন্তে ব্যাংক কর্মকর্তাদেরই দোষারোপ করা হয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদন বলছে, জামানত ছাড়াই একাধিকবার ক্যাশ এলসি খোলার সুযোগ দেয়া হয়েছে চট্টগ্রামের ইলিয়াছ ব্রাদার্সকে। ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হবার পরও আইনি পদক্ষেপের বদলে অনিয়মতিভাবে ঋণ পুন:তফসিল করার সুযোগ দেয়া হয়েছে এসডিএস ইন্টারন্যাশনাল নামে ঢাকার আরেক প্রতিষ্ঠানকে।

পুরোনো খেলাপি ঋণই অগ্রণী ব্যাংকের মুনাফার বড় অংশ খেয়ে ফেলছে। তাছাড়া কয়েক বছরে যোগ হয়েছে নতুন নতুন ঋণ কেলেঙ্কারি। বিপর্যয় ঠেকাতে সরকারি চার ব্যাংকে পর্যবেক্ষকও নিয়োগ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। কিন্তু তাতেও অবস্থার খুব একটা উন্নতি হয়নি। এখন নতুন করে সরকারের কাছে আরো মূলধন চাইছে সরকারি ব্যাংকগুলো।

এইবেলাডটকম/এএস