eibela24.com
মঙ্গলবার, ১১, ডিসেম্বর, ২০১৮
 

 
নীলফামারীতে সিট মহলবাসীর দ্বিতীয় বছরপূর্তি
আপডেট: ০৬:৩৭ pm ০২-০৮-২০১৭
 
 


ডিমলার ছিট মহলবাসী ছিট বিনিময়ের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে চারটি ছিটমহলে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। 

মঙ্গলবার (১ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে পশ্চিম খড়িবাড়ি শহীদস্মৃতি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সঙ্গীতের মধ্যদিয়ে শুরু হয় দিনের আনুষ্টানিকতা। পরে র‌্যালী ও আলোচনা সভা করা হয়।

সেখান থেকে একটি আনন্দ শোভাযাত্রা এলাকার প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই গ্রামের ইসলামিক ফাউন্ডেশন পরিচালিত প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আলোচনা সভায় মিলিত হয়।

২০১৫ সালের ১ আগষ্ট ১২.১ মিনিটে বিলপ্ত হয় দু’দেশের ১৬২টি ছিটমহল। এর মধ্যে বাংলাদেশের ১১১টি ছিট মহলের মধ্যে নীলফামারীর ডিমলায় চারটি ছিটমহল। ছিটমহল বিনিময়ের দুই বছর প্রর্তিতে বিলপ্ত ২৮ নম্বর বড় খানকি বাড়ী, ২৯ নম্বর বড় খানকিবাড়ী গিতালদহ, ৩০ নম্বর বড়খানকিবাড়ী খারিজা গিতালদহ , ৩১ নম্বর নগর জিগাবাড়ী গ্রামে একইভাবে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়।

শহীদ স্মৃতি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ময়েন উদ্দিনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, গয়াবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শরীফ ইবনে ফয়সাল মুন, বিলুপ্ত ছিটমহল ২৮ নম্বর বড়খানকি গ্রামের সভাপতি ফরহাদ হোসেন, ২৯ নম্বর বড়খানকি খারিজা গিদালদহ গ্রামের সভাপতি মিজানুর রহমান, ৩০ নম্বর বড় খানকি খারিজা গিতালদহ গ্রামের সভাপতি আব্দুল খালেক এবং ৩১ নম্বর নগরজিগাবাড়ি গ্রামের সভাপতি রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

আলোচনা সভা শেষে সেখানে ক্রীড়া প্রতিযোগীতা ও বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। উল্লেখ্য, ২০১১ সালে ঢাকায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের মনমোহন সিং প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়। 

২০১৫ সালে ৫ মে ভারতীয় মন্ত্রি পরিষদে স্থল সীমান্ত বিলটি অনুমোদন দেওয়া হয়। ছিট মহল বিনিময়ের ফলে বাংলাদেশ প্রায় ১৭ হাজার ৫০০ একর জমি ফেরত পায়। অপরদিকে, ৭ হাজার ১১০ একর জমি ভারতের ভুখন্ডে চলে যায়।

এসএম