রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮
রবিবার, ৮ই আশ্বিন ১৪২৫
 
 
বিদেশে প্রতারকের খপ্পরে পড়ে সর্বস্ব হারিয়ে দেওলিয়া শেরপুরের জাফর
প্রকাশ: ০৮:৪৪ pm ২৭-০২-২০১৭ হালনাগাদ: ০৮:৪৪ pm ২৭-০২-২০১৭
 
 
 


শেরপুর প্রতিনিধি: জীবনের আমুল পরিবর্তন করতে নিজের বাড়ীভিটা বিক্রি করে মালশিয়ায় পাড়ি জমিয়েছিল শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার গোজাকুড়া গ্রামের আবু জাফর (৩৫)।

সচ্ছলতা তো দূরের কথা, প্রতারকের খপ্পরে পড়ে সর্বস্ব হারিয়ে দেশে ফিরে সে এখন দেওলিয়া। সে দুই সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে।

ভুক্তভোগী ও তার পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ৬ মাস পূর্বে ঢাকার উত্তরার আদম ব্যবসায়ী লুৎফর নামের এক এজেন্সী ও  নিজ শশুর ওয়াদুদের মাধ্যমে বিদেশ পাড়ি দেয় আবু জাফর।

নিজ জমি ভিটা-বাড়ী বিক্রি করে নগদ ৩ লক্ষ টাকা তার শশুরের হাতে তুলে দেয় জাফর। জাফরের শশুর ওই এজেন্সির লুৎফর নামের ব্যক্তির সাথে যোগাযোগ করে গোপনে টুরিষ্ট ভিসা দিয়ে মালেশিয়ায় পাঠিয়ে দেয় জাফরকে।

কিন্ত বিমানে উঠার পর জানতে পারে তাকে মালশিয়ায় নয়, ইন্দোনেশিয়ায় পাঠানো হচ্ছে। পরে তাকে ইন্দোনেশিয়ায় নিয়ে দালাল চক্র কুয়ালালামপুর শহরের একট বাড়িতে আড়াই মাস আটকে রাখে।

জাফর কে উদ্ধারের কথা বলে দালাল লুৎফর জাফরের বাবা শাজাহানের নিকট ৪ লক্ষ টাকা দাবি করে। দালাল চক্রের আরেক মাধ্যম জাফরের শশুর ওয়াদুদ গত বছরের ২০ অক্টোবর জাফরের পিতার নিকট থেকে ৪ লক্ষ টাকা নিয়ে যায়।

এরপরও মুক্তি মেলে না জাফরের। ফলে জাফর নিজেই সেই বদ্ধ ঘর থেকে পালিয়ে আসতে সক্ষয় হন। পরে শেরপুরের সাইফুল ও দুলাল নামের দুই প্রবাসীর মাধ্যমে দেশ ফিরেন।

আবু জাফর বলেন, জীবনটাকে পরিবর্তন করতে বিদেশে যেতে চেয়েছিলাম। বোকার মতো সব কিছু বিক্রি করে দিছিলাম। এখন আমি নিঃশ্ব হয়ে গেছি। দুই সন্তান আর স্ত্রী কে নিয়ে কোথায় যাব, কি করবো।

কিছুই বুঝতে পারছি না। আমাকে বিদেশে নির্যাতন ও ৭লক্ষ টাকার ক্ষতিতে শশুর ওয়াদুদের বিরুদ্ধে আমি একটি মামলা করেছি। আমি এর বিচার চাই।

এ ব্যাপারে নালিতাবাড়ী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বলেন, ঘটনা সত্য। আমি এ ব্যাপারে উভয়কে ডেকে ছিলাম কিন্তু তাদের দুজনকে একসঙ্গে বসাতে পারিনি।

 

এইবেলাডটকম/সানী/গোপাল   

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71