বৃহস্পতিবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৮
বৃহঃস্পতিবার, ১লা অগ্রহায়ণ ১৪২৫
 
 
সবুজ পাতার ফাঁকে সোনালী স্বপ্ন
প্রকাশ: ১০:১১ pm ২২-০৪-২০১৭ হালনাগাদ: ১০:১১ pm ২২-০৪-২০১৭
 
 
 


রাজশাহী প্রতিনিধিঃ বরেন্দ্রের মাঠে সবুজ পাতার ফাঁকে দুলছে কৃষকের সোনালী স্বপ্ন। বৈশাখের তপ্ত হাওয়ার মধ্যেও সোনাঝরা ধানের শীষগুলো উঁকি দিচ্ছে বার বার।

রোদেলা বাতাসে ভাসছে গোছাভরা ধানের দোল খাওয়ার শন শন শব্দ। এক সপ্তাহের মধ্যেই শুরু হবে ধান কাটা মাড়াই। এবার বোরো ধানের সরকার অগ্রিম মুল্য নির্ধারণ করাই খুশি রাজশাহী অঞ্চলের কৃষকরা। সরকারের এমন সিদ্ধান্তে বাজারে ধানের দাম কিছুটা হলেও বাড়বে বলে মনে করছেন প্রান্তিক কৃষকরা।

সেই আশায় বুক বেঁধেছেন তারা।চলতি বছর ২৪ টাকা কেজি দরে ধান ক্রয় করবে সরকার। সে হিসাবে ধানের মণ (৪০ কেজি) ৯৬০ টাকা আর চাল প্রতি মণ (৪০ কেজি) ১ হাজার ৩২০ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছে। আগামী ২ মে থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত এ নির্ধারিত দামে সারাদেশে কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি সাত লাখ টন ধানও আট লাখ টন চাল ক্রয় করা হবে বলে খাদ্য মন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছে।বোরো কাটার আগেই সরকারের এমন ঘোষণার নির্ধারিত দামে ধান-চাল বিক্রি করতে পারলে কৃষকরা লাভের মুখ দেখবে বলে কৃষিবিদেরা জানান।

রাজশাহী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে জানা যায়, চলতি মৌসুমে রাজশাহীতে বোরোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৬৯ হাজার ৪১২ হেক্টর। কিন্তু চাষ হয়েছে ৬৭ হাজার ৩৩০ হেক্টর।

ফলে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ২ হাজার হেক্টর কম জমিতে বোরোর আবাদ হয়েছে। যা থেকে উৎপাদন হবে ৩ লাখ ১০ হাজার ৯৬১ টন ধান। এছাড়া রাজশাহী অঞ্চলে রাজশাহী, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবাগঞ্জ ও নাটোরের বোরো চাষাবাদ হয়েছে আরো সাড়ে তিন লাখ হেক্টরে বেশি জমিতে।

রাজশাহীর তানোর উপজেলার দুবইল গ্রামের কৃষক প্রধানমন্ত্রীর পদক প্রাপ্ত ইউসুফ মোল্লা জানান, মাঠে মাঠে কৃষকের স্বপ্নের বোরো ধানে রঙ ধরেছে। আর এক সপ্তহের মধ্যেই ধান কাটা মাড়াই শুরু করবে কৃষকেরা। এরই মধ্যে প্রস্ততি শুরু হয়েছে। তবে শুরুতেই শ্রমিক সংকট হতে পারে এমন দুশ্চিন্তায় রয়েছে কৃষকেরা।রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক দেব দুলাল ঢালি জানান, লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হলেও বোরোর ফলন ভালো হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তবে বৃষ্টি কম হওয়ায় কৃষকদের সেচের জন্য বেশি খরচ হয়েছে। তবে সরকারিভাবে অগ্রিম ধান ও চালের দাম নির্ধারণ করাই কৃষকরে জন্য সুবিধা হবে। কারণ প্রতি বছর কৃষকেরা এ দামের জন্য অপেক্ষায় থাকতে হয়, সে অনুয়ায়ি এবার কৃষকেরা বুঝে শুণে তাদের কষ্টের উৎপাদিত ধান-চাল বিক্রি করতে পারবে।

 

এইবেলাডটকম/অরুন/গোপাল

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71